দিব্যাঙ্কা এবং বিবেকের আলাপের গল্প অনেকেরই জানা। তাঁদের দেখা হয়েছিল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ইয়ে হ্যায় মহাব্বাতেঁ’-র শুটিং সেটে। সেই ধারাবাহিকের নায়িকা ছিলেন দিব্যাঙ্কা। ‘রমণ-ঈশিতা-রুহি’র রসায়ন তখন দর্শকদের মুখে মুখে। অনিতা হসনন্দানি ছিলেন গল্পের মূল খলনায়িকা। কাহিনি একটু গড়ানোর পরে পুলিশের চরিত্রে এন্ট্রি বিবেকের। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব এবং পরে ভালবাসা। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে তাঁরা বিয়ে করেন। এবার জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তাঁরা। পরিবারের সবাই নতুন সদস্যের আগমনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। শোনা যাচ্ছে, খুব বেবি শাওয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতে পারে। সেখানে তাঁদের আত্মীয় এবং বন্ধুরা উপস্থিত থাকতে পারেন।
advertisement
সম্প্রতি তাঁদের বিচ্ছেদের রটনা শুরু হয়েছিল। একটি সাক্ষাৎকারে বিবেক দাহিয়াকে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়ে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি খুব মজা করছি।’ দিব্যাঙ্কা আর আমি এখ খবরে হাসছিলাম। আইসক্রিম খাওয়ার সময় আমরা ভাবছিলাম, ‘যদি আরও দীর্ঘ হয়, তাহলে আমরাও পপকর্ন অর্ডার করব!’ অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমি ইউটিউব ভ্লগিংও করি এবং আমি জানি এই ক্লিকবেট কী।’ আমি এই সব খুব ভালো করেই বুঝতে পারি। তুমি যদি চাঞ্চল্যকর কিছু পোস্ট করো, মানুষ এসে তা দেখবে। কিন্তু, এর মধ্যে কোন সত্যতা নেই। আমাদের এই ধরনের মিথ্যা কথা প্রচার করা উচিত নয়। জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘ইয়ে হ্যায় মহব্বতে’-এর সেটে এই দিব্যাঙ্কার সঙ্গে দেখা হয়েছিল বিবেকের । দেখা হওয়ার পরপরই এই দম্পতি ডেটিং শুরু করেন। ৮ জুলাই ২০১৬ তারিখে তাদের বিয়ে হয়। ২০০৬ সালে ‘বানু ম্যায় তেরি দুলহান’ দিয়ে দিব্যাঙ্কা টিভিতে অভিষেক করলেও, বিবেকের প্রথম টিভি চরিত্র ছিল ২০১৩ সালে ‘ইয়ে হ্যায় আশিকি’। তাঁরা অনেক অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন, যেমন ২০১৭ সালে এই দম্পতি নৃত্য রিয়েলিটি শো ‘নাচ বালিয়ে ৮’ জিতেছিলেন।
