একপ্রকার শব্দহীন হয়ে পড়েছেন তিনি। অভিনেতা লিখছেন, ‘তোমাকে ভালোবাসি এবং আগামীতেও একইভাবে ভালোবাসবো। এর থেকে বেশি আর একটি শব্দও মাথা থেকে বেরোচ্ছেনা।’
advertisement
‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছবি দিয়ে টলিউডে সিনে জগতে পদার্পন রাহুলের৷ বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দেওয়া এই ছবির পরিচালক ছিলেন রাজ চক্রবর্তী৷ পরিচালক হিসেবে রাজেরও এটি ছিল প্রথম ছবি৷ তাই বলা যায়, বাংলা সিনেমার জগতে একসঙ্গেই পদাপর্ন করেছিলেন রাহুল এবং রাজ৷ দীর্ঘদিনের বন্ধুকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ পরিচালক৷ রাহুলের এই মর্মান্তিক মৃত্যু এখনও যেন মেনে নিতে পারছেন না রাজ৷ তিনি জানান, তাঁর হাত দিয়ে প্রথম অভিনয় জগতে আসেন রাহুল। এর আগে থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরের সম্পর্ক এভাবে হারিয়ে যাবে ভাবতে পারিনি’, জানান রাজ৷ ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর স্মৃতি চোখের সামনে ভাসছে।
তখন সিঙ্গেল স্ক্রিন। স্কুল কেটে সিনেমা দেখার দিন। পাশের বেঞ্চে ঝারি মারার দিন। ‘পিয়া-রে’ শুনে বহু কিশোর নিজেকে এ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রেমিক ভাবত। সেই রাহুল আর নেই, এ ভাবনাও যেন ভাবনার বাইরে।
