দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুকে পাঠানো হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃতদেহ। সূত্রের খবর, তমলুক জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয় অভিনেতার। তার পর দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। কলকাতা থেকে রাহুলের ৬ বন্ধু এবং মামা তমলুক হাসপাতালে যান। কলকাতা থেকে রাহুলের স্ত্রী ভিডিও মারফত ময়নাতদন্তের সম্মতি দিয়েছেন। রাহুলের মামা সেখানে সমস্ত অফিশিয়াল ফরমালিটিতে উপস্থিত ছিলেন। রাহুলের নিজের গাড়ির চালক বাবলুও তমলুক হাসপাতালেই।
advertisement
ময়নাতদন্তের পর রাহুলকে নিয়ে কলকাতার দিকে রওনা হয় শববাহী গাড়ি। রাহুলের গাড়িচালক, ‘ভোলেবাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার ও অন্যরা রাহুলের মরদেহ পল্লিশ্রীতে ফিরিয়ে আনছেন।
উল্লেখ্য, তালসারি ও দিঘা পুলিশের যৌথ তদন্তে জানা গিয়েছে,রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হাঁটু সমান জলে নাচের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল। সেই সময় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র আচমকাই একটি গভীর গর্তে পড়ে যান। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে দিঘা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা রাহুলকে মৃত ঘোষণা করেন। তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, শ্যুটিংয়ের জন্য কোনওরকম প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়নি, এমনকি স্থানীয় থানাকেও বিষয়টি জানানো হয়নি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তালসারি পুলিশ, দিঘা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।
