এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘জুডিশিয়াল অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। আমরা আমাদের কড়া অবস্থান জানাচ্ছি৷’’ সুপ্রিম কোর্ট এদিনের নির্দেশে জানায়, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে বাধা পড়ে এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না৷ আধিকারিকদের যাবতীয় প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করতে হবে কমিশনকে৷
advertisement
পশ্চিমবঙ্গের ৫০০-র বেশি এবং ওড়িশা-ঝাড়খণ্ড থেকে ২০০ জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এসআইআরে তদারকির কাজ করছেন। তবে কাজ করার জন্য বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের লগইন আইডি তৈরি করা হয়েছে, এর ফলে একটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এটা কমিশন স্তরের ‘ভুলের কারণে’ ঘটেছে।
কমিশন আশ্বাস দিয়েছে, অবিলম্বে বিষয়টি সংশোধন করা হবে। শীর্ষ আদালত বলে, ‘‘কলকাতা হাইকোর্ট এবং সব বিচারবিভাগীয় আধিকারিক যেন সুষ্ঠু ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেই জন্য প্রয়োজনীয় সব বন্দোবস্ত করতে হবে কমিশনকে।’’ একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারকেও।
শীর্ষ আদালত বলে, ‘‘আমরা আগের নির্দেশেই বলেছিলাম বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বা নির্বাহী কর্তাদের কাছে আবেদন করা যাবে না।’’ তাহলে অভিযোগ কোথায় জানানো হবে? তার পরেই ট্রাইবুনাল গঠন করার কথা বলে সুপ্রিম কোর্ট।
শীর্ষ আদালত জানায়, ‘‘আপিলের জন্য ২৪ ফেব্রুয়ারির নির্দেশের ক্ষেত্রে আমরা বলেছিলাম জুডিশিয়াল অফিসারদের দেওয়া নির্দেশের কোনও আপিল করার সুযোগ থাকবে না। আমরা শুনানির পর বলছি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে একটি অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল/ ট্রাইবুনালস গঠন করবেন। যেখানে ভিন রাজ্যের বিচারপতিরাও থাকতে পারবেন। উভয়পক্ষকেই আবেদন করার নির্দেশ করা হচ্ছে। সেই ট্রাইব্যুনালের নেওয়া সিদ্ধান্তকে মানবে কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এই ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি এবং বিচারপতিদের সাম্মানিক এবং অন্য সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে৷ সমস্ত খরচ কমিশন বহন করবে৷ এ ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে৷’’
