এর আগে তামান্নার মা বলেছিলেন, ‘মেয়ের ন্যায়বিচার ছাড়া আর কিছুই চাই না। সত্যি বলতে, রাজনীতি সম্পর্কে তো কিছু বুঝিও না।’ CPIM কিংবা অন্য কোনও দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাব এসেছিল ভোটে দাঁড়ানোর? এ প্রশ্নের উত্তরে তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘এখনও আমার কাছে এমন কোনও প্রস্তাব আসেনি। প্রস্তাব এলেও আমি রাজি হব কি না, জানি না। কারণ আমি কিংবা আমার পরিবারের রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। যদি কখনও এমন প্রস্তাব আসেও, তাহলে ভাবনাচিন্তা করে দেখব। সে মুহূর্তে আমার মন কেমন থাকবে, তার উপর নির্ভর করে ভেবে দেখব।’ কিন্তু সেই সব সংশয় দূরে সরিয়ে অবশেষে প্রার্থী হলেন তিনি।
advertisement
তবে CPIM তাঁকে কালীগঞ্জ থেকে দাঁড় করাতে চায়, এই জল্পনা কানে এসেছিল তামান্নার মায়েরও। তিনি বলেন, ‘আমিও নানা জায়গা থেকে শুনেছি। গ্রামের অনেকেও বলাবলি করেছে, এবারের ভোটে আমি নাকি প্রার্থী। আমার আব্বা তো শুনেই কান্নাকাটি করতে শুরু করেছে। বলছে, আমার মেয়েটা মরে যাবে, ওকে মেরে ফেলে দেবে।’
শাসকদলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তামান্নার মা। তিনি বলেন, ‘এখনকার যে সরকার আছে, তারা যেন ধ্বংস হয়ে যায়। তেমনটা হলে তামান্নার মায়ের থেকে বেশি শান্তি আর কেউ পাবে না। এই শাসকদলের গুরুত্ব তো কোনও দিনই ছিল না আমার কাছে, এখন তো দেখছি, আমার কোল খালি শুধু নয়, কোনও মেয়েই নিরাপদ নয় এই জমানায়। কোনও একটা কাজ ঠিক করছে না এই শাসকদল। আমাদের ট্যাক্স নিয়েই আমাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিচ্ছে। ওরা কারও বাবার ঘর থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিচ্ছে না। যে সরকার আসবে সে-ই দেবে এই টাকা।’ এবার সেই সাবিনা ইয়াসমিন বিধানসভা ভোটে লড়ছেন কালীগঞ্জ থেকে।
