শনিবার ব্রিগেডের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘মহা জঙ্গলরাজ শেষ হবে৷ এই সভায় আসা বিজেপি কর্মীদের তৃণমূল গতকাল চোর বলে কটাক্ষ করেছে৷ আসল চোর কারা, বাংলার মানুষ ভাল ভাবে জানে৷ আজকেও এই বিশাল সভাকে আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব অস্ত্র বের করে ফেলেছে৷ আপনাদের আটকানোর জন্য ব্রিজ বন্ধ করে দিয়েছে, রাস্তা জ্যাম করে দিয়েছে, গাড়ি আটকে দিয়েছে৷ কিন্তু এত কিছু করেও আপনাদের আটকাতে পারেনি৷ মহাজঙ্গলরাজ চালাচ্ছিল যারা, তাদের কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে৷ বাংলায় আবার আইনের শাসন হবে? তৃণমূলের কোনও আইনভঙ্গকারী ছাড়া হবে না৷ বেছে বেছে হিসেব নেওয়া হবে৷ নির্মম সরকার যত চেষ্টা করুক, পরিবর্তনের ঝড়কে আটকাতে পারবে না৷’
advertisement
প্রধানমন্ত্রীকে জবাব দিয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, ‘আমরা নির্মম সরকার যদি ব্যঙ্গ করে বলে। তাহলে বিজেপি হল নিরমা সরকার। ওয়াশিং মেশিনের মতো সরকার ওরা। শেষ এসএসসি পরীক্ষা দেখুন। বাইরে থেকে এসেছে কাজের জন্য পরীক্ষা দিতে। বিজেপি বলেছিল কোটি কোটি চাকরি দেবে। কতজন চাকরি পেয়েছেন?’
প্রধানমন্ত্রী এ দিন আরও দাবি করেন, ‘বাংলায় পরিবর্তনের বিউগল বেজে গিয়েছে৷’ নরেন্দ্র মোদিকে জবাব দিয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, ‘রাজনৈতিক বিউগলবাজি করে গেছেন। ‘সুনার বাংলা’ নয় ওনারাই পাথরবাজির বাংলা করতে চাইছেন।’ প্রসঙ্গত, এ দিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার আগে গিরিশ পার্কে তৃণমূল-বিজেপি-র মধ্যে তুমুল ইটবৃষ্টি শুরু হয়৷ মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে৷
এ দিন ব্রিগেডের সভা থেকে তৃণমূলকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ তিনি বলেন, তৃণমূলের গুন্ডাগিরির দিন শেষ৷ সবকা সাথ সবকা বিকাশের সঙ্গে সবার হিসেবও করবে বিজেপি৷ তৃণমূলের ভয়ের দিন আসছে৷ সব অপরাধী, অনুপ্রবেশকারী বিজেপি সরকারকে ভয় পাবে৷ অপরাধীরা শুধু জেলে থাকবে৷
