যেখানে নিট (NEET), জেইই (JEE) এবং ডব্লিউবিজেইই (WBJEE) ২০২৭-এর প্রাক-পরীক্ষা প্রশিক্ষণ শিবিরের ব্যবস্থা থাকবে।
মূলত দুঃস্থ, মেধাবী এবং পিছিয়ে পড়া পরিবারের পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন সফল করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ। বিনামূল্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার লক্ষ্যে দুঃস্থ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাতটি জায়গায় শিবিরের ব্যবস্থা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক শহরে রাজকুমারী সান্ত্বনাময়ী বালিকা বিদ্যালয়ে যোগ্যশ্রী প্রকল্পের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তাম্রলিপ্ত পৌরসভার চেয়ারম্যান বৈদ্যনাথ সিনহা, রাজকুমারী সান্ত্বনাময়ী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শর্মিষ্ঠা আদক-সহ অন্যান্যরা।
advertisement
আরও পড়ুন: কখনও নবান্ন, কখনও কেন্দ্রীয় সরকার! উচ্চপদস্থ অফিসারের পরিচয়ে চাকরির টোপ, পূর্ব মেদিনীপুরে গ্রেফতার ১
জেলার প্রত্যেকটি সেন্টারে ৫০ জন করে ছাত্র-ছাত্রী প্রশিক্ষণ নেবে। এই প্রকল্পের আওতায় আসতে হলে বিজ্ঞান বিভাগের পাঠরত হতে হবে। পাশাপাশি ২০২৭ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলিতে বসার লক্ষ্য থাকতে হবে। এছাড়াও পারিবারিক বাৎসরিক আয় তিন লক্ষ টাকার কম হওয়া বাধ্যতামূলক হতে হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাশাপাশি পরীক্ষার্থীকে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের উপর ভিত্তি করে এই আবেদন গ্রহণ করা হবে। যোগ্যশ্রী প্রকল্পের আবেদনটি অনলাইন ও অফলাইন দু’টির মাধ্যমে করা যায়। অনলাইনে আবেদন করতে হলে পড়ুয়াদের এদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে https://wbbcdev.webstep.in গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করতে পারবে।
পড়ুয়া জয়শ্রী কর জানান, “আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের কাজে এটা সুবর্ণসুযোগ। প্রশিক্ষণের মধ্যদিয়ে নিজের কেরিয়ার গড়ে নেওয়া সম্ভব। আমাদের মতো ছেলে মেয়েদের কথা ভেবে এই ধরনের প্রকল্প চালু করায় আমরা ভীষণ খুশি।”
প্রতি শনি ও রবিবার ৪ ঘণ্টা করে ক্লাস হবে। পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত এবং জীববিদ্যা বিষয়ে ক্লাস হবে। থাকছে মক টেস্টের সুযোগ। অফলাইনের পাশাপাশি অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে অনলাইন লাইভ ক্লাসের সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ভিত্তিতে, প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মাসে ৩০০ টাকা হারে ১০ মাসে মোট ৩ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে।





