যাঁরা টেট উত্তীর্ণ নন, তাঁদের পরবর্তী দু’বছরের মধ্যে ওই পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। না হলে চাকরি ছাড়তে হবে, অথবা, চূড়ান্ত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বাধ্যতামূলক অবসরের জন্য আবেদন করতে হবে। শুধু অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল সেই সব শিক্ষককে যারা আগামী পাঁচ বছরে অবসর নেবেন।
আরও পড়ুন: আর জয়েন্ট বোর্ড নয়, প্রেসিডেন্সিতে স্নাতকে ভর্তি হওয়ার পরীক্ষা নেবে প্রেসিডেন্সিই! জরুরি খবর জানুন
advertisement
গত বছরের শেষে এই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের তরফেও চিঠি দেওয়া হয় কেন্দ্রের কাছেও।
তারই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের যুগ্ম সচিবের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে। জানতে চাওয়া হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে কোন রাজ্যে কত শিক্ষক ফলে অসুবিধায় পড়তে চলেছেন। শুধু তাই নয়, রাজ্যগুলি কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য আলাদা করে চাকরি ও আর্থিক সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ করতে চলেছে, তাও প্রস্তাব আকারে জমা দিতে বলা হয়েছে রাজ্যগুলিকে। রাজ্যের আইন বিশেষজ্ঞদের মতামতও জানাতে হবে কেন্দ্রকে। ১৬ জানুয়ারির মধ্যে তার পাঠাতে হবে কেন্দ্রকে।
এর আগেই এ রাজ্যের শিক্ষক সংগঠনগুলি দাবি করেছিল, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় কার্যকর হলে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক মিলিয়ে প্রায় ৯৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা কাজ হারাবেন। সারা দেশের হিসেবে সংখ্যাটা প্রায় ৭০ লক্ষ। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, “আমরা চাই কেন্দ্র অর্ডিন্যান্স জারি করে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করুক।”
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
