TRENDING:

Success Story: বিনা কোচিংয়ে নজরকাড়া সাফল্য, WBCS ক্র্যাক করে বাংলার আলমগীর চমকে দিলেন গোটা দেশকে

Last Updated:

Success Story: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার প্রত্যন্ত এলাকার এক সাধারণ পরিবারের ছেলে ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজর কাড়ল জেলাবাসীর।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: ব্যবহার করেননি স্মার্টফোন। বিনা কোচিং নজরকাড়া সাফল্য  ডব্লিউবিসিএস, মেনে চলুন কিছু টিপস, আপনিও হবেন সফল। বেলডাঙ্গার ছেলের নজরকাড়া রেজাল্টে গর্বিত এলাকাবাসী। জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার প্রত্যন্ত এলাকার এক সাধারণ পরিবারের ছেলে ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজর কাড়ল জেলাবাসীর।
advertisement

মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা থানার জানকিনগর গ্রামের বাবা নিফাজ শেখ ও মা সালেহা বেগমের  পুত্র আলমগীর হোসেন ডব্লিউ বিসিএস পরীক্ষায় এবছর র‍্যাঙ্ক করেছেন ২০। ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোতেই খুশির হাওয়া আলমগীরের পরিবারে, গর্বিত পরিবার-সহ গোটা গ্রামবাসী। বেলডাঙ্গা থানার জানকিনগর গ্রামের প্রথম ডব্লিউবিসিএস অফিসার হলেন তিনি।

আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষা, কেমন হল বাংলা প্রশ্নপত্র? ছাত্রছাত্রীদের হাসিই বলে দিচ্ছে উত্তর

advertisement

আলমগীরের কথায়, একদম বিনা কোচিংয়ে, নিজে বাড়িতে পড়ে ও বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি করে সফল হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয় কয়েক বছর দুরে ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও। শিক্ষাজীবনে আলমগীর ছিলেন মনোযোগী ও পরিশ্রমী। বেলডাঙার সি আর জিএস স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন তিনি।

View More

এরপর বহরমপুরের কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পাশাপাশি, দূরশিক্ষার মাধ্যমে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও সম্পন্ন করেন। সংসারের দায়িত্ব ও পড়াশোনা, দুটোই সামলে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। ২০১৩ সালে ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় সফল এক্সিকিউটিভ অফিসার নাজির হোসেনের সাফল্য আলমগীরকে অনুপ্রাণিত করে।

advertisement

আরও পড়ুন: খড়গপুরের গ্রাম থেকে সোজা মাইক্রোসফট, প্রায় ১, ০০, ০০, ০০০ টাকার চাকরির অফারলেটার সুমন বেরার হাতে! ছেলের কীর্তিতে গর্বিত বাংলা

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ও মা! অরিজিৎ সিং-এর বাড়ির ছাদে আমির! দুই মহা তারকাকে ঘুড়ি ওড়াতে দেখল জিয়াগঞ্জের মানুষ
আরও দেখুন

সেই থেকেই প্রশাসনিক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। বন্ধুদের সঙ্গে দলবদ্ধ ভাবে পড়াশোনা করে, বড় কোনও কোচিং ছাড়াই তিনি এই সাফল্য অর্জন করেছেন। ফল প্রকাশের পর আলমগীর জানান, “অশেষ কৃপা ও পরিবারের সমর্থনেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।” তিনি ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চান। তাঁর মা জানান, ছেলে বিডিও হবে জেনে তিনি গর্বিত ও আনন্দিত। উল্লেখযোগ্য ভাবে, এ বছর বেলডাঙা থেকেই আরও তিনজন গ্রুপ ‘এ’ পদে সফল হয়েছেন।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/শিক্ষা/
Success Story: বিনা কোচিংয়ে নজরকাড়া সাফল্য, WBCS ক্র্যাক করে বাংলার আলমগীর চমকে দিলেন গোটা দেশকে
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল