প্রসঙ্গত, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার উত্তরপত্রের প্রথম পৃষ্ঠায় পড়ুয়াদের নাম ও রোল নম্বর লিখতে হয়। মামলাকারীদের দাবি, ফলে পরিচিত পড়ুয়ার উত্তরপত্রে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করতে পারেন মূল্যায়নকারী। কোনও পড়ুয়া যাতে পরিচয়ের ভিত্তিতে বাড়তি সুবিধা না পায় সেই আবেদন করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
আরও পড়ুনঃ দিনভর বাড়িতে চালান এসি, টিভি, ফ্রিজ, গিজার সবই! ১ টাকাও ইলেক্ট্রিক বিল আসবে না, মোক্ষম ট্রিক জানুন
advertisement
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী কোয়েলি ভট্টাচার্যের যুক্তি, প্রায় সাত দশক ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে রাজ্যে। আজ পর্যন্ত উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোনও পক্ষপাতিত্ব বা বাড়তি নম্বর দেওয়ার অভিযোগ আসেনি। আইনজীবীর আরও দাবি, নিয়ম পরিবর্তনের এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে শুধু রাজ্যের। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের পর্যবেক্ষণ, “উত্তরপত্র মূল্যায়নের আগে পড়ুয়াদের নাম ও তথ্য গোপনের বিষয়ে সহজেই পদক্ষেপ করতে পারে রাজ্য। এটা কোনও রকেট বিজ্ঞান নয়।” এরপর রাজ্যের থেকে এই বিষয়ে তথ্য তলব করে কোর্ট।
