কমিশনের নোটিফিকেশন অনুযায়ী, এই ১৬ জন প্রার্থীকে অবিলম্বে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে ২০২৫ সালের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁরা আর কোনওভাবেই অংশ নিতে পারবেন না। শুধু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নয়, পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ, অর্থাৎ নথি যাচাই, মেধাতালিকা সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এবং কাউন্সেলিং—সব ক্ষেত্রেই তাঁদের অংশগ্রহণ সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হয়েছে।
advertisement
মোদির সফরের আগে শহরে ‘গো ব্যাক মোদি’ হোর্ডিং, ভিআইপি রোডের কেষ্টপুরে ছেয়ে গিয়েছে পোস্টার!
এসএসসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, যাচাই প্রক্রিয়ায় যেসব প্রার্থীর নাম ‘টেইন্টেড’ তালিকায় রয়েছে বা যাদের OMR শিটের সঙ্গে তথ্যের অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে কোনওরকম ছাড় দেওয়া হবে না। এই ধরনের প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও যাচাই প্রক্রিয়া চলাকালীন যদি নতুন করে কোনও টেইন্টেড প্রার্থীর নাম উঠে আসে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৬ সালের শিক্ষক ও শিক্ষকর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের শিক্ষা মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং কোনও বিতর্ক এড়াতে কমিশন একাধিক যাচাই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যতে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও কঠোর এবং স্বচ্ছ করে তুলতে সাহায্য করতে পারে।
এসএসসি সূত্রে দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে যোগ্য প্রার্থীদের ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানানো হয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ফের বড় পদক্ষেপ নিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের জারি করা নোটিফিকেশন অনুযায়ী, ১৬ জন প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিল করা হয়েছে। এসএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রার্থীদের নাম ‘টেইন্টেড’ তালিকা এবং OMR মিসম্যাচ তালিকায় ছিল। ২০১৬ সালের শিক্ষক ও শিক্ষকর্মী নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগের জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ১৬ জন প্রার্থীকে অবিলম্বে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে ২০২৫ সালের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁরা আর কোনওভাবেই অংশ নিতে পারবেন না। শুধু পরীক্ষায় অংশগ্রহণই নয়, পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ এবং কাউন্সেলিং প্রক্রিয়াতেও তাঁদের অংশগ্রহণ বাতিল করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এসএসসি আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও যাচাই প্রক্রিয়ায় যদি কোনও টেইন্টেড প্রার্থীর নাম উঠে আসে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং বিতর্ক এড়াতে কমিশন এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে কমিশন।
