প্রতিবাদে শিক্ষকরা ক্লাস বয়কটের ডাক দিয়েছেন। টানা দু’দিন ধরে বন্ধ রয়েছে নিয়মিত পাঠদান। বিদ্যালয়ে প্রায় ৬৫০ জন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে। শিক্ষক রয়েছেন মোট ১৮ জন। পাশাপাশি রয়েছেন দু’জন পার্শ্ব শিক্ষকও। শিক্ষকদের অভিযোগ, টিচার ইনচার্জ পীযূষ কান্তি জানা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা না করেই নতুন রুটিন তৈরি করেছেন। সেই রুটিনে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের নিজস্ব বিষয়ের ক্লাস না দিয়ে অন্য বিষয় পড়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি শিক্ষকদের। রুটিন সংশোধনের আবেদন জানালেও টিচার ইনচার্জ অনড়। তাই বাধ্য হয়েই তারা ক্লাস বয়কট করেছেন।
advertisement
বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক শীতল প্রসাদ শীট জানান, ”বহুবার টিচার ইনচার্জকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আলোচনায় বসে সমাধানের আবেদনও করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। এক বিষয়ের শিক্ষককে অন্য বিষয়ে ক্লাস দেওয়া হচ্ছে।” অন্যদিকে টিচার ইনচার্জ পীযূষ কান্তি জানার দাবি, “বিদ্যালয়ে প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা কম। সেই ঘাটতি মেটাতেই এমন রুটিন তৈরি করতে হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান হয়েছে।” ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরাও। এক অভিভাবক শচীন ত্রিপাঠি বলেন, “দু’দিন ধরে ক্লাস বন্ধ থাকায় পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। ছাত্রছাত্রীরা অনিশ্চয়তায় ভুগছে। দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হোক, সেটাই চাই আমরা। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের নিজ নিজ বিষয় পড়াতে দেওয়া হোক।”