তিনি জানান, “সঠিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির প্রস্তুতি নিলে জীবন বিজ্ঞানে ৮০-৯০ নম্বর পাওয়া মোটেই কঠিন নয়। জীবন বিজ্ঞানে কোশ বিভাজন ও কোশচক্র অধ্যায় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। নিউরোনের চিহ্নিত চিত্র, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য, কোশচক্রের ধাপ ও গুরুত্ব। এই বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি উদ্ভিদ হরমোন ও চলন অধ্যায় থেকে টপিক ও ন্যাস্টিক চলন, অক্সিন ও জিব্বেরেলিনের কাজ এবং কৃত্রিম হরমোনের ব্যবহার পরীক্ষায় বারবার দেখা যায়।
advertisement
‘আমিও শেষ দেখে ছাড়ব’! আদালতে যাওয়ার পথে বললেন মিমিকে হেনস্থার দায়ে গ্রেফতার হওয়া তনয় শাস্ত্রী
বংশগতি ও মেণ্ডেল অধ্যায়কে ‘হাই স্কোরিং’ অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। মেণ্ডেলের একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, ৭ জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য, সাফল্যের কারণ এবং চেকারবোর্ড সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন শিক্ষকরা। এর পাশাপাশি হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া ও বর্ণান্ধতা। এই মানব বংশগত রোগগুলি থেকে সংখ্যাতত্ত্বমূলক প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও বিবর্তন ও অভিযোজন অধ্যায়ে ল্যামার্ক ও ডারউইনের মতবাদ, নয়া ডারউইনবাদ, মিলার-উরে পরীক্ষা এবং ঘোড়ার বিবর্তন নিয়মিত পড়ার তালিকায় রাখার কথা বলা হচ্ছে। পরিবেশ অধ্যায়ে জীববৈচিত্র্য, হটস্পট, জেএফএম, নাইট্রোজেন চক্র ও দূষণ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলিও পরীক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। শেষ মুহূর্তে পুরো বই পড়ার পাশাপাশি চিত্র, পার্থক্যধর্মী প্রশ্ন, সংজ্ঞা ও উদাহরণভিত্তিক উত্তর অনুশীলন করলে জীবন বিজ্ঞানে ভাল ফল নিশ্চিত করা সম্ভব।”
তিনি আরও জানান, “আতঙ্ক নয়, পরিকল্পিত প্রস্তুতিই সাফল্যের চাবিকাঠি। পরীক্ষার আগে খুব বেশি রাত জাগা না করে নিয়মিত রিভিশন, দুর্বল অধ্যায়ে বেশি জোর দেওয়া এবং ঘড়ি ধরে উত্তর লেখার অভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর প্রথম ১৫ মিনিট ঠান্ডা মাথায় প্রশ্ন নির্বাচন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে উত্তর লেখা। মার্জিন রাখা, সাবহেডিং ও প্রয়োজনে চিত্র, ফ্লোচার্ট ব্যবহার করলে নম্বর বাড়ে।”