যেখানে গ্রিন স্প্যানিশ পাস্তা, রাশিয়ান সালাদ থেকে শুরু করে পাঞ্জাবি, গুজরাটি ও সাউথ ইন্ডিয়ান খাবার- সব মিলিয়ে ছিল স্বাদের বৈচিত্র্য। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা দিতে রাখা হয়েছিল ফল সহ ভেজিটেবল সালাদও। ইন্টারন্যাশনাল ফুড হিসেবে পাস্তা ও নুডুলসও ছিল এই তালিকায়। নানা ধরনের মেনুতে মুহূর্তেই জমে উঠল ছোট ছোট খুদেদের এই ফুড ফেস্টিভ্যাল। স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে, ছাত্র-ছাত্রীদের ভিন্ন স্বাদের সঙ্গে পরিচিত করা এবং ফুড ফেস্টিভ্যালের আনন্দ উপভোগ করানোর লক্ষ্যেই এই আয়োজন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই ফেস্টিভ্যালে কোনও টাকার লেনদেন ছিল না। ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের তৈরি খাবার পরিবেশন করে, আর সহপাঠীরা সেখান থেকেই পছন্দমতো খাবার বেছে নিয়ে খায়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা ও অভিভাবকরাও। শিক্ষক-শিক্ষিকারাও ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরি বিভিন্ন পদ চেখে দেখেন।
advertisement
বন্দে ভারত স্লিপার কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে? কত ভাড়া? পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামোয় বড় সংযোজন
তেলে ভরপুর ভেনেজুয়েলা, তবু মুদ্রা এত দুর্বল কেন? জেনে নিন, সেখানে ১০ হাজার ভারতীয় টাকার মূল্য কত?
এ দিন সেরা রান্নার জন্য পুরস্কৃত করা হয় ছোট্ট এই সেফদের। চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করা এই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এমন উদ্যোগ যেন আনন্দের পাশাপাশি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। শীতের মরশুমে এই ফুড ফেস্টিভ্যাল ঘিরে স্কুল চত্বরে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। একদিকে নতুন নতুন খাবার চেখে দেখার আনন্দ, অন্যদিকে পরিবেশনার মাধ্যমে সহপাঠীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হয়। শিশুদের মধ্যে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি দলগত কাজ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে ধারণা গড়ে উঠছে বলেই মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। সব মিলিয়ে অশোকনগর হরিপুরের এই প্রাথমিক স্কুলে আয়োজিত ফুড ফেস্টিভ্যাল পড়াশোনার বাইরে শিশুদের সামগ্রিক বিকাশে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন অভিভাবকরা থেকে শিক্ষামহল।