মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনও জায়গা থেকেই কলেজের লাইব্রেরির যেকোনও বই পড়ে ফেলতে পারবে ছাত্র ছাত্রীরা। আর এই ই-লাইব্রেরী ব্যাপক সাড়া ফেলেছে কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে। ২৩ এপ্রিল বিশ্ব বই দিবস ছিল। বই প্রেমীদের কাছে এই দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বই লাইব্রেরি এই সবের গুরুত্ব ধীরে ধীরে বিলীন হতে বসেছে বর্তমান ডিজিট্যাল যুগে। আর বর্তমান প্রজন্ম মুঠোবন্দি মোবাইল ফোনেই সীমাবদ্ধ।
advertisement
দিনরাত নানা অ্যাপে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবাধ বিচরণ। তবে ছাত্রছাত্রীদের বইমুখী করতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি রাজ কলেজ। কলেজের লাইব্রেরিই এখন ছাত্রছাত্রীদের মুঠোবন্দি মোবাইল ফোনে। ২০২০ সালে মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রথম ই-লাইব্রেরি চালু করেছে কান্দি রাজ কলেজ। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনও জায়গা থেকেই কলেজের লাইব্রেরির যেকোনো বই পড়ে ফেলতে পারবে ছাত্র ছাত্রীরা। এই ই-লাইব্রেরি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে।
মোবাইলের অ্যাপেই সমস্ত বই পেয়ে যাওয়ায় খুশি সকল ছাত্রছাত্রী। ছাত্রী পায়েল মণ্ডল জানায়, "আমরা এখন মোবাইল ফোনেই লাইব্রেরির সমস্ত বই পড়তে পারি। আমাদের খুব সুবিধা হয়েছে। এছাড়াও আমাদের পড়ার উপযুক্ত বিভিন্ন প্রশ্নপত্র আমরা ই-লাইব্রেরিতে সহজেই পেয়ে যাই।"
আরও পড়ুন- পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে বিপুল নিয়োগ! বেতন কত জানেন? আবেদনের শেষ দিন ৭ মে
গ্রন্থাগারিক ড. সুপর্না নস্কর বলেন, "কলেজের গ্রন্থাগারে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি বই রয়েছে। এছারাও ম্যাগাজিন পত্রিকা তো রয়েছেই। ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিনই গ্রন্থাগারে আসে, পড়াশোনা করে। প্রতিটির ৮০টির বেশি বই ইস্যু করা হয়।" তবে লাইব্রেরিতে আছে আরও বেশি সংখ্যক বই। করোনার সময় কলেজ বন্ধ থাকলে ডিজিট্যাল মাধ্যমে এই ই-লাইব্রেরি থেকে বই পড়ে পড়ুয়াদের অত্যন্ত সুবিধা হয়েছে। মাসে দুহাজারের বেশি ভিজিট হয় এই ই লাইব্রেরি অ্যাপে। বর্তমান যুগে ডিজিট্যাল মাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে জেলায় প্রথম ই-লাইব্রেরি চালু করায় কান্দি রাজ কলেজকে সাধুবাদ জানান পৌরপিতা জয়দেব ঘটক।
