TRENDING:

Education: রাজকীয় আভিজাত্য থেকে আধুনিক জ্ঞানচর্চার পীঠস্থান! 'এই' বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস গর্বের, জানুন

Last Updated:

Education: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন বা করছেন অথচ গোলাপবাগকে নিয়ে দু-একটি মিষ্টি স্মৃতি নেই এমন মানুষ বোধ হয় খুব কমই আছেন। কিন্তু জানেন কি এই ক্যাম্পাসের ইতিহাস ?

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বর্ধমান, সায়নী সরকার: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন বা করছেন অথচ গোলাপবাগকে নিয়ে দু-একটি মিষ্টি স্মৃতি নেই এমন মানুষ বোধ হয় খুব কমই আছেন। অনেকের কাছে তো তাঁদের হোস্টেল জীবনের গল্পগুলিই একটি আস্ত উপন্যাস বা ছোটগল্পের সংকলন হয়ে উঠতে পারে। ​কিন্তু আপনি কি জানেন এই মায়াবী সবুজে মোড়া ক্যাম্পাসের ইতিহাসের পাতা উল্টালে পাওয়া যায় এক রাজকীয় আভিজাত্যের ঘ্রাণ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গোলাপবাগ ক্যাম্পাসটি একসময় ছিল বর্ধমান রাজপরিবারের নিজস্ব বাগান, যা মূলত ‘দিলখুশা বাগান’ বা ‘দার-উল-বাহার’ নামে পরিচিত ছিল।
advertisement

বর্ধমান শহরের সবুজে ঘেরা গোলাপবাগ, বর্ধমান রাজাদের সেই সোনালি অতীত আজ এক আধুনিক জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে পরিণত হলেও, ইতিহাসের পাতায় তার গুরুত্ব বিন্দুমাত্র ম্লান হয়নি। বর্ধমানে রাজ আমলের তৈরি গোলাপবাগ-সহ নানা স্থাপত্য আজও রয়েছে শহরের প্রতিটি কোনায়।​বর্ধমান রাজপরিবারের শৌখিনতার এক জীবন্ত নিদর্শন হল এই গোলাপবাগ। ১৮৮৪ সালে রাজা বিজয় চাঁদ মেহতাব এই গোলাপবাগ তৈরি করেন। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির গোলাপ গাছ, প্রায় ১৫০ রকমের গাছ, জলের ধারা, হাওয়া মহল ছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন পশু-পাখি নিয়ে একটি চিড়িয়াখানাও ছিল এখানে, যা পরে কলকাতা আলিপুর চিড়িয়াখানায় স্থানান্তরিত হয়।

advertisement

আরও পড়ুনঃ কেমোথেরাপিতে চুল পড়ে গিয়েছিল ছোট্ট পড়ুয়ার…! সহমর্মিতায় স্কুলের শিক্ষক, সহপাঠীদের কর্মকাণ্ড বিশ্ববাসীর মন জয় করেছে, দেখুন আপনিও

আরও পড়ুনঃ গ্র্যামির মঞ্চে ইতিহাস! ৯০ বছর বয়সে প্রথমবার সম্মান পেলেন দালাই লামা, অভিনন্দন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর

View More

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
মরণোত্তর দানে অমরত্বের বার্তা, মৃত্যুকে জয় করার মানবিক অঙ্গীকার
আরও দেখুন

পঞ্চাশের দশকে জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পরে বর্ধমান রাজা উদয় চাঁদ মাহতাব তাঁর প্রায় বর্ধমানের পুরো সম্পত্তি রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের পরিকল্পনায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রূপ পায়। হাওয়া মহল অর্থাৎ রাজাদের বিশ্রামের জন্য তৈরি ‘দার-উল-বাহার’ আজও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। রাজার রাজত্ব না থাকলেও সেই ইতিহাস যেন আজও জীবন্ত এখানে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/শিক্ষা/
Education: রাজকীয় আভিজাত্য থেকে আধুনিক জ্ঞানচর্চার পীঠস্থান! 'এই' বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস গর্বের, জানুন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল