চাপ কমাতে পাঠ্যক্রমের যৌক্তিকরণের (Rationalization) দাবি করে আসছেন অনেক শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী। পাঠ্যক্রমকে যুক্তিহয় করার পিছনে মূল উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার ক্ষেত্রে যাতে কোনও রকম ফাঁক না থাকে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।
নির্মল ভারতীয় (Nirmal Bhartia) বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল চারু ওয়াহি (Charu Wahi), যিনি CBSE-র সঙ্গে যুক্ত, তাঁর বিশ্বাস, “সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা এবং অনুধ্যান” পারে "পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের চাপ ও উদ্বেগকে হ্রাস করতে", তবে সেই সঙ্গে তিনি শিক্ষার ফাঁকগুলি বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তার উপরেও জোর দিয়েছেন তিনি।
advertisement
অনলাইন পঠনপাঠনের জন্য আরও ভাল প্রস্তুতি
পুরো বছর ধরে অনলাইনে পঠনপাঠন জারি থাকার কারণে স্কুলগুলি এখন অনলাইনে তাদের সিলেবাস সম্পূর্ণ করার জন্য নিজেদের আরও ভালো ভাবে প্রস্তুত বলে বিবেচনা করছে।
CBSE-অনুমোদিত ডিপিএস ইন্দিরাপুরমের (DPS Indirapuram) অধ্যক্ষ সঙ্গীতা হাজেলা (Sangeeta Hajela) বলেন, “মহামারী কালে পূর্ববর্তী অধিবেশনে CBSE কর্তৃক পাঠ্যক্রম হ্রাস করা হয়। দূরবর্তী শিক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসে। ২০২১-২২ বর্তমান সেশনে, ছাত্র-শিক্ষক সকলেই দূরবর্তী শিক্ষায় আরও ভালো ভাবে প্রস্তুত হয়েছে। তাই পাঠ্যক্রম হ্রাস এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নিরর্থক বলেই মনে হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, পাঠ্যক্রম হ্রাসের বিষয়টি নিয়ে পরেও চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। কারণ এর ফলে শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেকটা শূন্যস্থান তৈরি হতে পারে। যা কখনওই কাম্য নয।
পাঠ্যক্রম উন্নত করা দরকার:
পাঠ্যক্রম হ্রাস করা ছাড়াও বর্তমান পরিস্থিতির উপের ভিত্তি করে এক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনা বাঞ্ছনীয় বলেও মনে করছেন বেশ কিছু শিক্ষানবিশ। গ্লোবাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (Global Education and Training Institute)-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. সুনিতা গান্ধী (Dr. Sunita Gandhi) বলেছেন যে, পাঠ্যক্রম হ্রাস করার পরিবর্তে সর্বাপেক্ষা ভালো পদক্ষেপ হবে সেই পাঠ্যক্রম উন্নত মানের করা!
