ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সঙ্গীত ভবনের কোনও অধ্যাপক-অধ্যাপিকা বহিরাগত কোনও ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কোনওরকম অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না। এমনকী অনলাইনে কোনও অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ লাঘু থাকবে। যদি এমন কোনও অনুষ্ঠান করতেই হয়, তাহলেও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ না মানলে পড়তে হবে শাস্তির মুখেও। যদিও তা প্রচ্ছন্নভাবে উল্লেখ করা হয়েছে নোটিশে। আর বিশ্বভারতীর মতো বিশ্ববিদ্যালয় এই ধরনের নির্দেশ জারি করায় শিল্পী স্বাধীনতার প্রশ্ন উঠে গেছে বিশ্বভারতীর অন্দরে।
advertisement
গত রবিবার বিশ্বভারতীর সঙ্গীত ভবনের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার ঘোষ 'ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ' অনুযায়ী ওই নোটিশ জারি করেছেন। আর এতেই প্রশ্ন উঠে গেছে, রবীন্দ্র সংস্কৃতির যে ঐতিহ্যবাহী পরম্পরাকে সারা বিশ্বের কাছে এত দিন ধরে পৌঁছে দিচ্ছে সঙ্গীত ভবন, সেই তাঁদের সঙ্গে এই ধরনের ব্যবহার কেন? করোনা পরিস্থিতির কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বভারতীতে কোনও ক্লাস হচ্ছে না, বন্ধ রয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানও। ফলে দেশ এবং বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সঙ্গীত ভবনের অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদের নানা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করছেন এখন। তাঁরা তাতে নিজেদের সুযোগ মতো যোগও দেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নতুন ঘোষণায় সেই সমস্ত কর্মসূচি বাতিল হয়ে গেল। এর আগে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বভারতীর অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, কর্মী, আধিকারিকেদের সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে মন্তব্যের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
