CBSE-এর তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যদি এর মাঝে কোনও পড়ুয়া করোনায় আক্রান্ত হয়, তাহলে সমস্ত বিধি মেনে তাকে সেল্ফ আইসোলেশনে থাকতে হবে। যাবতীয় বিধি-নিষেধ অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে পরীক্ষা নিয়ে কোনও রকম আশঙ্কার কারণ নেই। কারণ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার জেরে প্র্যাকটিকাল পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে, পরে কোনও একটি নির্দিষ্ট তারিখে সেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর জেরে নম্বর বিভাজনেও কোনও প্রভাব পড়বে না। বলা বাহুল্য, এই বিজ্ঞপ্তির পর থেকে স্কুলপড়ুয়াদের পাশাপাশি বাবা-মায়েরাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। বেশ কয়েকটি স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীর প্র্যাকটিকাল পরীক্ষাও শুরু হয়ে গিয়েছে।
advertisement
এর আগের ঘোষণায় খানিকটা অস্বস্তিতে পড়েছিল পড়ুয়ারা। শিডিউল অনুযায়ী পরীক্ষা নিয়ে তাদের মনে একটা আশঙ্কা দানা বেঁধেছিল। যদি সংক্রমণের ফাঁদে পড়ে প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা না দেওয়া যায়, তাহলে কি ওই নম্বর কাটা যাবে? যদি সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত না হওয়া যায়, তাহলে কী হতে পারে? এই সমস্ত বিষয় নিয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে একের পর এক জিজ্ঞাসা মাথাচাড়া দেয়। সম্প্রতি, সেই বিষয়টিরও সমাধান করেছে CBSE। বোর্ডের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এবার যে সমস্ত দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষা দিচ্ছে, তারা তদের থিওরি ও প্র্যাকটিকাল পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত পরীক্ষাকেন্দ্রগুলি পছন্দ মতো বদল করতে পারে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে CBSE-এর তরফে জানানো হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাঝে সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও ফের বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি তাদের পরিবারও নানা জায়গায় গিয়ে আটকে পড়েছেন। কেউ শহর বদলেছেন। কেউ আবার সংক্রমিত এলাকা থেকে বাঁচতে খানিকটা নিরাপদ জায়গায় গিয়ে থাকা শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে স্কুল বা পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের দূরত্ব বেড়েছে। তাই যেখানে রেজিস্টার করা হয়েছে, সেই নির্ধারিত কেন্দ্রগুলিতে উপস্থিত হওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দেবে। একথা মাথায় রেখেই পরীক্ষাকেন্দ্রগুলি বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
