যে তিনটি মেল আইডি দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে সেগুলি হল-
১. pbssm.spo@gmail.com
২. commissionerschooleducation@gmail.com
৩. wbssed@gmail.com
উপরের তিনটি মেল আইডি-তে মেল করে যে তিন প্রশ্নের উত্তর জানাতে হবে সোমবার দুপুর দু-টোর মধ্যে...
১. মাধ্যমিক/ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হোক, চাইছেন নাকি চাইছেন না?
২. যদি চান পরীক্ষা হোক, সেক্ষেত্রে কীভাবে পরীক্ষা হওয়া উচিত বলে আপনার মনে হয়?
advertisement
৩. যদি চান পরীক্ষা বাতিক করে দেওয়া হোক এ বারের জন্য, তবে কীভাবে পড়ুয়াদের মূল্যায়ণ করা উচিত বলে আপ্নারা মনে করছে?
উল্লেখ্য, গাণিতিক পদ্ধতি এবং ইন্টারনাল পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ এবং বাড়ি থেকেই পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বিশেষজ্ঞ কমিটি। গত শুক্রবারই সেই প্রস্তাব বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে জমা পড়ে রাজ্যের কাছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরই স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিব মনিশ জৈন ফোন করেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাসকে। তারপরই সিবিএসই, আইসিএসই বোর্ড সুপ্রিম কোর্টে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার মূল্যায়ন নিয়ে কী জানায় সে দিকেই নজর রাখতে বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা এর মাধ্যমে রাজ্য কার্যত বুঝিয়ে দিল, বাড়ি থেকে বসে পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তাবে সংসদের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত নয় রাজ্য।
শুক্রবার ছয় সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি মাধ্যমিক- উচ্চমাধ্যমিক নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্যের কাছে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক পরীক্ষা যে চাইছে না বিশেষজ্ঞ কমিটি ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, রিপোর্টে তা বিস্তারিত আকারে বলা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে নবম শ্রেণীর সামগ্রিক পরীক্ষা এবং দশম শ্রেণীর ইন্টার্নাল ইভালুয়েশনের মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে চায় পর্ষদ। সে ক্ষেত্রে গাণিতিক ফর্মুলা ব্যবহার করেই ছাত্র-ছাত্রীদের নম্বর দেওয়ার পক্ষেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও পরীক্ষা সরাসরি বাতিল করার পক্ষে প্রস্তাব দেয়নি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। প্র্যাক্টিকাল ও প্রোজেক্ট ওয়ার্কের নম্বর সংসদের কাছে চলে আসায় বাড়ি থেকে বসেই সামান্য নম্বরেও পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষপাতী সংসদ।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
