অভিভাবকদের সম্মতি থাকলেই বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানো হবে। এই মর্মে একাধিক বেসরকারি স্কুল অভিভাবকদের থেকে মুচলেখা বা আন্ডারটেকিং নিতে চলেছে। আবার কোন স্কুল প্রত্যেক দিনের হেলথ রিপোর্ট নিয়ে অভিভাবকের সম্মতি নেবে। সাউথ পয়েন্ট স্কুলের ডিরেক্টর কৃষ্ণ দামানি জানিয়েছেন, "আমরা প্রত্যেক দিনের হেলথ রিপোর্ট অভিভাবকদের থেকে নেব এবং তারপরেই অভিভাবকরা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাবে।"
advertisement
আরও পড়ুন: আইনি জটিলতার অবসান! ১৬ নভেম্বরই খুলছে স্কুল, রাজ্যের সিদ্ধান্ত বহাল হাই কোর্টে...
লা মার্টিনিয়ার স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে, অভিবাবকদের সম্মতি নিয়েই আসতে হবে পড়ুয়াদের। বহু স্কুলই একই পথে হাঁটতে চলেছে। তাদের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, অভিভাবকদের সম্মতি নিয়েই আসতে হবে স্কুলে। ইমেল মারফৎ এই সম্মতিপত্র অভিভাবকদের পাঠাচ্ছে বেসরকারি স্কুলগুলি। যদিও ব্যতিক্রমও দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে। তাদের তরফে অবশ্য নেওয়া হচ্ছে না কোন সম্মতিপত্র।
আরও পড়ুন: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ১০ হাজার আবেদনপত্র বাতিল! ব্যাঙ্কের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নবান্ন
স্কুল খোলা নিয়ে মামলাকারীর বক্তব্যে সন্তোষ প্রকাশ করেনি হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাকারীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, অভিভাবকদের সমস্যা হলে তাঁরা আদালতে এসে সমস্যার কথা বলবেন। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে মামলাকারীকে বিচারপতি বলেন, "স্কুল কতক্ষণ খোলা থাকবে, সেটা কি আপনাদের দেখার বিষয়? আপনার বাচ্চা কি স্কুলে যায়? এটা ব্যক্তিগত কারণ হতে পারে না। অভিভকদের বলার থাকলে কোর্টে এসে বলুক। আমরা দেখব।" আদালত এমনও জানিয়ে দিয়েছে, নির্দিষ্ট ভাবে ওই শ্রেণীর পড়ুয়া বা অভিভাবক বা শিক্ষকরা চাইলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে অভিযোগ জানাতেই পারেন এ বিষয়ে।
