পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের একাধিক প্রধান শিক্ষক স্কুল ছুটির সময় সীমা সাড়ে চারটের বলে আরো এগোনোর কথা বলেন। মূলত স্কুলগুলির হাতেই কখন ক্লাস শুরু হবে বা কখন ক্লাস শেষ হবে তা ছেড়ে দেওয়ার কথা ও এই দিনের বৈঠকে ওঠে বলেই সূত্রের খবর। বর্তমানে নবম ও একাদশ শ্রেণির জন্য একটি সময় এবং দশম দ্বাদশ শ্রেণির জন্য সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ক্লাসের জন্য। এ দিনের বৈঠকে বেশিরভাগ প্রধান শিক্ষকই সেই সময় সীমার বদলে স্কুলগুলির হাতেই ক্লাস শুরুর সময় কে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছে বলেই জানা গেছে। সে ক্ষেত্রে বিকল্প দিনেও ক্লাস নেওয়ার কোথাও কোন কোন প্রধান শিক্ষক এ দিনের বৈঠকে বলেন বলে সূত্রের খবর। অর্থাৎ যেদিন নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস হবে তারপরের দিন দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর ক্লাস নেওয়ার কথা বলা হয় প্রধান শিক্ষকদের তরফে।
advertisement
আরও পড়ুন: বেসরকারি স্কুলের তুলনায় ভিড় বাড়ছে সরকারি স্কুলে, সংখ্যায় বেশি মেয়েরা, বলছে রিপোর্ট
স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, এই দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্কুল শিক্ষা দপ্তরের কমিশনার এবং সর্বশিক্ষা মিশনের অধিকর্তা। যদিও তারা এই পর্যালোচনা বৈঠকে সবার মতামত নিলেও এই মতামত নেওয়ার পর আগামী সপ্তাহেই রাজ্য তার সিদ্ধান্ত জানাতে পারে বলেই আগাম ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে এই দিনের বৈঠকে স্কুল এর সময়সীমা কমানোর পাশাপাশি উপস্থিতির হার একাধিক স্কুলে কমতে শুরু করেছে বলেও একাধিক প্রধান শিক্ষক দাবি করেন। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের একাংশ ক্লাসে আসতে চাইছে না। এই দিনের বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয় একাধিক জেলার প্রধান শিক্ষকদের তরফে।
আরও পড়ুন: প্রার্থী খুঁজুন আগে, বাবুলকে কটাক্ষ করতেই দিলীপ ঘোষ হলেন 'এন্টারটেইনমেন্ট প্যাকেজ'
সূত্রের খবর অভিভাবকদের মধ্যে ভীতি দূর করার জন্য স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে যৌথভাবে স্কুল শিক্ষা দফতর একটি ভিডিও তৈরি করতে বলেছে বলে সূত্রের খবর। সেই ভিডিও প্রধান শিক্ষকদের মারফত অভিভাবক-অভিভাবিকা দের পাঠাবে বলে ওই দিনের বৈঠকে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন। পাশাপাশি স্কুল ছুটের সংখ্যাও বেড়েছে বলে দিনের বৈঠকে প্রধান শিক্ষকদের একাংশ দাবি করেন বৈঠকে। অনলাইনে ক্লাস হলেও বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রী যে অনেকটাই পড়াশোনার থেকে বিরত থেকেছে সেই প্রসঙ্গে দিনের বৈঠকে দলের একাধিক জেলার স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর এই মতামতগুলি নেওয়ার পর আগামী সপ্তাহেই স্কুল চালু নিয়ে বেশকিছু রদবদল করতে পারে নির্দেশিকার। সে ক্ষেত্রে কমানো হতে পারে স্কুলের সময়সীমাও। সূত্রের খবর এই দিনের বৈঠকে তেমনটাই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। যদিও এদিনের বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
