সূচী প্রকাশ হতেই জানা যায়, ২০২০-২১ বর্ষের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা ৪ মে থেকে ১০ জুনের মধ্যেই হতে চলেছে। গতকালই CBSE-র ওয়েবসাইট https://www.cbse.gov.in/newsite/index.html-এ সূচী প্রকাশ হয়েছে।
সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যেই এই পরীক্ষা হয় প্রতি বছর। কিন্তু প্যানডেমিকের জন্য এই সূচীতে পরিবর্তন এসেছে।
এই বছর দশম ও দ্বাদশ শ্রেণি মিলিয়ে সারা ভারতে প্রায় ৩০ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় বসতে চলেছে। পরীক্ষার সূচী নিয়ে তাদের জন্য রইল ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-
advertisement
১) ২০২১ CBSE পরীক্ষা হতে চলেছে অফলাইন। কোনও অনলাইন পরীক্ষা হবে না। অফলাইনে আগের মতোই লেখা পরীক্ষা দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের।
২) দশম শ্রেণির পরীক্ষা একটি শিফটেই হতে চলেছে। সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে দুপুর ১.৩০ পর্যন্ত দশম শ্রেণির সকলের পরীক্ষা হবে।
৩) দশম শ্রেণির পরীক্ষা একটি শিফটে হলেও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা কিন্তু দু'টি শিফটে হতে চলেছে। একটি সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১.৩০ ও দ্বিতীয় শিফটটি দুপুর ২.৩০ থেকে বিকেল ৫.৩০ পর্যন্ত।
৪) সকাল সাড়ে ১০টায় পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র হাতে পাবে ১০টা থেকে ১০.১৫-র মধ্যে।
৫) ২.৩০-এর শিফটে যাদের পরীক্ষা পড়বে, তারা উত্তরপত্র হাতে পাবে ২টো থেকে ২.৩০-এর মধ্যে।
৬) উত্তরপত্র পাওয়ার পর প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা ১৫ মিনিট সময় পাবে।
৭) অ্যাসিস্টেন্ট সুপারিনটেনডেন্টের সই করা একটি উত্তরবইতে প্রয়োজনীয় তথ্য লিখতে হবে।
৮) সমস্ত প্রক্রিয়া হয়ে যাওয়ার পর নির্ধারিত সময় মতো অর্থাৎ ১০.৩০টার শিফটে হলে ১০.৩০টায় লেখা শুরু করবে পরীক্ষার্থীরা ২.৩০-এর শিফটে হলে, ২.৩০-এ লেখা শুরু করবে পরীক্ষার্থীরা।
৯) দশম ও দ্বাদশ শ্রেণি উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রত্যেকটি স্কুল মার্চের ১ তারিখ থেকে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট, প্রোজেক্ট ও প্র্যাকটিকালের কাজ সারতে পারবে।
১০) দেশে দশম শ্রেণিতে মোট ৭৫টি বিষয়ে পরীক্ষা হতে চলেছে এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে মোট ১১১টি বিষয়ে পরীক্ষা হতে চলেছে।
বেশ কিছু রাজ্যে, যেখানে করোনা সংক্রমণ কম, সেখানে স্কুল খুলে গিয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ রাজ্যেই এখনও স্কুল বন্ধ। ফলে অনলাইন ক্লাস ও পড়াশোনায় একটা গ্যাপ তৈরি হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের সিলেবাস শেষ করতে বেশি সময় দিচ্ছে বোর্ড।
যদিও পরীক্ষা বাতিল হোক চেয়েছে অনেকে। এই নিয়ে পিটিশনও জমা পড়েছে। পিটিশন দাখিলকারীরা জানিয়েছে, ২০২১-এর এই পরীক্ষা বেশ কঠিন হতে চলেছে কারণ ২০২০ একেবারেই অন্যরকম গিয়েছে। অনলাইন ক্লাসে বেশিরভাগ মানুষেরই খুব সমস্যা হয়েছে নেটওয়ার্কের জন্য। অনেকের কাছে ফোন বা ল্যাপটপই ছিল না যে তারা পড়বে। ফলে ২০২১-র বোর্ডের পরীক্ষা বাতিল করা হোক। বদলে বিকল্প উপায়ে এই শিক্ষাবর্ষে নম্বর দেওয়া হোক এবং বোর্ডও যাতে স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মাধ্যেমে পরীক্ষার্থীদের নম্বর দেয়, সেই আর্জিও রাখা হয়েছে!
