এই নির্দেশের পর বুদ্ধদেব সাউ অবশ্য জানিয়েছেন “আমি এখনো কোন চিঠি পাইনি ও দেখিনি। আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষী ফোন করেছিল। তারা জানিয়েছে যে একটি চিঠি এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপারে কী করবে সেটা সরকার দেখুক।”
তবে রাজ্যপালের এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান স্থগিত রাখছে নাকি, তা নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
advertisement
প্রসঙ্গত অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে বুদ্ধদেব সাউ কে নিয়োগ করেছিলেন খোদে রাজ্যপাল। গত কয়েকদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে যাদবপুর – রাজভবন টানাপোড়ন চলছিল। কোর্ট বৈঠকের সম্মতি চাইলেও রাজভবনের তরফে তা খারিজ করে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, ডিসেম্বরের শেষে জাঁকিয়ে শীত নেই, জারি বৃষ্টির পূর্বাভাস! কতদিন থাকবে এমন আবহাওয়া
যদিও রাজ্য সরকারের তরফে অবশ্য সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। রাজভবনের আপত্তি সত্ত্বেও শনিবারই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আমন্ত্রণ পত্র বিলি করা হয়। আমন্ত্রণ পত্র বিলি করে সকাল ১০ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু করার কথা জানানো হয়। সেই মোতাবেক আমন্ত্রণ পত্র বিলি করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যায়। সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় তরফে ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে নেওয়া হয়েছে। রাজ্যপালের বহিষ্কারের এই নির্দেশের পর বুদ্ধদেব সাউ এর কি অবস্থান হবে সে বিষয়ে অবশ্য তিনি স্পষ্ট করেননি।
অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, “এই নির্দেশের মাধ্যমে প্রমাণ করে উনি উচ্চশিক্ষা দফতরকে ভেঙে দিতে চাইছেন। উনি সুপ্রিম কোর্টের আইনকেও সম্মান দিচ্ছেন না। বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার কথা আদালত বললেও তিনি তা করছেন না।” বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে অধ্যাপক সংগঠন আবুটার তরফে রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয় ইতিমধ্যেই রাজভবনের তরফে বিবৃতি জারি করে এই সমাবর্তনকে “বেআইনি সমাবর্তন” বলেও আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
