TRENDING:

CBSE Board Exam Tips: দ্বাদশ শ্রেণির অঙ্ক পরীক্ষা বলে কথা! হাতে অল্প সময়, রইল ৩০ দিনে চটজলদি প্রস্তুতির সহজ টিপস!

Last Updated:

CBSE Board Exam Last Minute Tips: সিবিএসই ক্লাস ১২ গণিত বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতিতে এই জিনিসগুলো নিয়মিত অনুশীলন করলে তা আত্মবিশ্বাস ও ফলাফল উন্নত করে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বরুণ গোয়েল: সিবিএসই ক্লাস ১২ গণিতের বোর্ড পরীক্ষার জন্য হাতে যখন মাত্র এক মাস সময় থাকে, তখন চাপ অনুভব করাই স্বাভাবিক। বোর্ড পরীক্ষা মানেই প্রত্যাশা, তুলনা এবং ব্যক্তিগত লক্ষ্য। তবে পরিকল্পনার সঙ্গে চাপ জুড়ে গেলে সেটিই হয়ে ওঠে ফলপ্রসূ। নিজের শক্তি ও দুর্বলতা সৎভাবে চিহ্নিত করে নেওয়া একটি সুসংগঠিত কৌশল শেষ এক মাসে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। গণিত এমন একটি বিষয়, যেখানে কাঠামো, ধারাবাহিকতা এবং স্থির চিন্তাই সাফল্যের চাবিকাঠি। এই ৩০ দিনকে কাউন্টডাউন না ভেবে একটি প্রস্তুতির সময়কাল হিসেবে দেখলে ফল স্পষ্টভাবে উন্নত হতে পারে।
ক্লাস ১২ গণিতে নম্বর বাড়ানোর ৩০ দিনের স্মার্ট পরিকল্পনা
ক্লাস ১২ গণিতে নম্বর বাড়ানোর ৩০ দিনের স্মার্ট পরিকল্পনা
advertisement

এই সময়টিকে পারফরম্যান্সের প্রস্তুতি হিসেবে ভাবা প্রয়োজন। খেলোয়াড়রা ম্যাচের আগে আতঙ্কিত হন না, তাঁরা পরিকল্পনা মেনে এগোন। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হওয়া উচিত।

পর পর হামলায় রক্তাক্ত বালোচিস্তান! নেপথ্যে আসল মাথা দুই মহিলা! কী করেছেন তাঁরা জানেন? চমকে উঠবেন শুনে

৬৮ তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে সম্মানিত দলাই লামা! ঝুলিতে এবার নয়া প্রাপ্তি

advertisement

প্রথমে ভিত্তি মজবুত করা, তারপর গভীর প্রস্তুতি—এই হওয়া উচিত মূল কৌশল। শুরুতেই প্রয়োজন ধারণাগত স্বচ্ছতা। এনসিইআরটি পাঠ্যবইটি সম্পূর্ণভাবে পুনরায় পড়া জরুরি—সমাধান করা উদাহরণ, ইন-টেক্সট প্রশ্ন এবং মানক সমস্যাগুলি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। বোর্ড পরীক্ষার অধিকাংশ প্রশ্নই এনসিইআরটির কাঠামোর মধ্যেই থাকে, ফলে যাঁরা এনসিইআরটিতে আত্মবিশ্বাসী, তাঁরা পরীক্ষার হলে সাধারণত অপ্রস্তুত বোধ করেন না।

advertisement

এই প্রাথমিক স্তরটি শক্ত হলে এরপর এনসিইআরটি এক্সেমপ্লার প্রশ্নের অনুশীলন শুরু করা উচিত। এই প্রশ্নগুলি ধারণাকে আরও গভীর করে এবং দক্ষতা-ভিত্তিক ও উচ্চস্তরের প্রশ্নের জন্য ছাত্রছাত্রীদের প্রস্তুত করে।

একটি সূত্রের নোটবুক তৈরি করা বা আগেরটি ঝালিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি এবং তা প্রতিদিন পড়তে হবে। ক্যালকুলাসের পরিচিতি, ম্যাট্রিক্সের গুণাবলি, ভেক্টরের সূত্র এবং মানক ইন্টিগ্রাল—সবকিছুই যেন স্বাভাবিক স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে। সূত্র মনে করার জন্য বাড়তি সময় না লাগলে চিন্তাশক্তি পুরোপুরি যুক্তির উপর কেন্দ্রীভূত করা যায়।

advertisement

এর পাশাপাশি অনুশীলনের সময় একটি ছোট ‘ভুলের খাতা’ রাখা দরকার। ধারণাগত ভুল, হিসাবের ভুল বা অসতর্কতার কারণে হওয়া ভুল—সবকিছু সংক্ষেপে নোট করতে হবে। নিয়মিত এই খাতা দেখলে দুর্বল জায়গাগুলি স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং একই ভুল বারবার হওয়ার সম্ভাবনা কমে। ভুলকে সচেতনভাবে ট্র্যাক করলেই উন্নতি পরিমাপযোগ্য হয়।

গণিতে সাফল্যের জন্য মাঝে মাঝে দীর্ঘ সময় পড়ার চেয়ে নিয়মিত পড়াশোনা অনেক বেশি কার্যকর। নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিদিন পড়াশোনা করলে একটি ছন্দ তৈরি হয় এবং মনে রাখার ক্ষমতা বাড়ে। অনিয়মিত দীর্ঘ পড়ার চেয়ে কাঠামোবদ্ধ নিয়মিত অধ্যয়নই আত্মবিশ্বাসী ছাত্রছাত্রীদের আলাদা করে তোলে।

advertisement

দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পরীক্ষার মতো পরিবেশে অনুশীলন শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। স্যাম্পল পেপারগুলি সম্পূর্ণ সময় ধরে এবং বোর্ড পরীক্ষার নির্ধারিত সময়েই সমাধান করা উচিত। পাশাপাশি আগের বছরের বোর্ড প্রশ্নপত্র ও নির্বাচিত প্রশ্ন অনুশীলন করতে হবে। এতে প্রশ্নের পুনরাবৃত্ত ধারা, সাধারণ ফাঁদ এবং পরীক্ষকের প্রত্যাশিত ধাপে ধাপে উত্তর লেখার মানসিকতা বোঝা যায়।

সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত (অথবা নির্ধারিত পরীক্ষার সময়সীমায়) নিয়মিত অনুশীলন করলে শরীরের জৈবঘড়ি ওই সময়টিতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।

প্রতিটি স্যাম্পল পেপারকে বাস্তব পরীক্ষার মতো ধরতে হবে—নির্দিষ্ট সময়, নীরবতা এবং কোনও বিরতি ছাড়া। পরীক্ষা শেষ হলে সঠিক উত্তরের চেয়ে ভুল বিশ্লেষণে বেশি সময় দেওয়া প্রয়োজন। প্রতিটি সংশোধিত ভুল ভবিষ্যতের একটি নিশ্চিত নম্বর।

অনুশীলন ও পরীক্ষার সময় জল অল্প অল্প করে পান করা ভাল। এতে মন সতেজ থাকে, কিন্তু মনোযোগ নষ্ট হয় না।

নম্বর নির্ধারণে যেসব অধ্যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলিতে বারবার ফিরে যেতে হবে। ডেরিভেটিভের প্রয়োগ, ইন্টিগ্রাল, ম্যাট্রিক্স, সম্ভাবনা এবং থ্রি-ডি জিওমেট্রি সাধারণত মোট নম্বরের উপর বড় প্রভাব ফেলে এবং সাপ্তাহিক পরিকল্পনায় এগুলি নিয়মিত রাখা উচিত।

ডিফারেনশিয়াল ইকুয়েশন বা ইন্টিগ্রালের প্রয়োগের মতো হিসাবনির্ভর অধ্যায়গুলিতে ধৈর্য ধরে ধাপে ধাপে অনুশীলন জরুরি। এখানে গতি নয়, নির্ভুলতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মিশ্র অনুশীলনও দরকার, যেখানে ক্যালকুলাস, অ্যালজেব্রা ও জিওমেট্রির মধ্যে বারবার পরিবর্তন করা হয়। এতে মানসিক নমনীয়তা বাড়ে, যা পরীক্ষার সময় অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

শেষ সপ্তাহে পরিমাণ নয়, আত্মবিশ্বাসই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য। এই সময় নতুন কিছু বোঝার চেয়ে সূত্র ঝালিয়ে নেওয়া, প্রতিনিধিত্বমূলক প্রশ্ন সমাধান এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ক্লান্তি থেকেই সবচেয়ে বেশি অসতর্ক ভুল হয়, আর গণিতের জন্য চাই সতেজ মন।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
পর্যটকদের পোয়াবারো! জলদাপাড়ায় প্রথমবার হিমালয়ের পাদদেশের বিরল ধূসর লাঙ্গুর দর্শন
আরও দেখুন

অবিরাম পড়াশোনা থেকেই আত্মবিশ্বাস আসে না। আত্মবিশ্বাস আসে দৃশ্যমান উন্নতি থেকে। পরিকল্পিতভাবে এগোলে ধীরে ধীরে উদ্বেগ কমে যায় এবং তার জায়গায় আসে নিয়ন্ত্রণ ও স্থিরতা।

বাংলা খবর/ খবর/শিক্ষা/
CBSE Board Exam Tips: দ্বাদশ শ্রেণির অঙ্ক পরীক্ষা বলে কথা! হাতে অল্প সময়, রইল ৩০ দিনে চটজলদি প্রস্তুতির সহজ টিপস!
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল