সাধারণত যা সন্ধান করা হয়!
প্রথমেই প্রযুক্তিগত বিদ্যায় পারদর্শী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কেউ যদি নিজের সিভিতে (CV) এমএস ওয়ার্ড এবং পাওয়ারপয়েন্ট জানেন এমনটা লেখেন আর কেউ যদি আপডেটেড এক্সেল জানেন লেখেন, তাহলে আপডেটেড এক্সেল জানা প্রার্থীকেই বেছে নেওয়া হবে। মনে রাখতে হবে প্রযুক্তি প্রতি নিয়ত আপডেট হচ্ছে, তাই চাকরি-প্রার্থীকে সময়ের সঙ্গে তাল রেখে নিজেকে উন্নত করতে হবে। সমসাময়িক কিছু প্রযুক্তি শিখে নিয়ে সেগুলি প্রয়োগ করতে জানতে হবে। এছাড়াও কাজের ক্ষেত্রে পজেটিভিটি ও যে কোনও পরিস্থিতিকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কতটা সে দিকেও নজর দেওয়া হয়। প্রার্থীর ভ্রমণের আগ্রহ আছে কি না জানতে চাওয়া হয়। ইন্টারভিউ টেবিলে এমন অনেক কিছুই জানতে চাওয়া হয় যেগুলি প্রার্থী করতে চায় না। আর বিপরীতে দেখা যায় কোম্পানি সেগুলোই প্রার্থীর কাছ থেকে আশা করে। এক্ষেত্রে স্বপ্নের চাকরি হাতছাড়া হতে পারে। তবে এই শর্ত মেনে নিলে আদতে লাভ কর্মীরই হয়। কারণ সময় এবং কাজের অভিজ্ঞতা সব কিছু বদলে দেয়। কাজের ক্ষেত্রে ভুল হতেই পারে, তবে সেটা মেনে নেওয়াও একটা ভালো গুণ, কাজের জায়গায় যে সমস্ত কর্মীরা কেবল অন্যের ভুল খুঁজে বেড়ায় তাঁদের দেখে মনে হয় কর্তৃপক্ষ মাথায় তুলে রেখেছে, আদতে তা নয়, এমন ব্যক্তিদের কখনই কর্তৃপক্ষ পছন্দ করে না। এই বদ গুণ না থাকা খুব জরুরি।
advertisement
কী ভাবে নিজের দক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে?
সমসাময়িক কিছু কোর্স করা যেতে পারে। এছাড়াও এনজিও বা দুর্যোগের সময় ত্রাণ তহবিল গড়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো হয়। এর পাশাপাশি একটি কুইজ ক্লাব পরিচালনা করা, একটি গোষ্ঠী বানিয়ে ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করার যে অভিজ্ঞতা তা বড় কোম্পানির ইন্টারভিউ টেবিলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রদর্শন করতে পারলে ভালো ফল মিলতে পারে।
এই দক্ষতাগুলির বিকাশ কী ভাবে করতে হবে?
ফাঁকা সময়ে নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে হবে, আমি কী কাজ চাই? এর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাগুলো কী কী, আমার যে দক্ষতার স্তর রয়েছে তা কী? কোনও নিয়োগকর্তাকে আমার দক্ষতা উপস্থাপনের জন্য আমার কাছে কী প্রমাণ রয়েছে? এই কয়েকটি জিনিস প্রার্থী নিজেই জানেন। এবং উল্লিখিত এইগুলিতে কোনও প্রকার মিথ্যাচার করলে নির্ধারিত ফল অপেক্ষা করবেচাকরি পাওয়ার সুবিধা হয় না।
