হলুদ মাখা হাতেই কলম ধরা… এদিন ছিল মৌসুমীর বিয়ের আগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আচার ‘গায়ে হলুদ’। রীতি অনুযায়ী যখন চারদিকে সাজসাজ রব, তখনই বেজে ওঠে স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ-সি পরীক্ষার ঘণ্টা। মৌসুমী জানান,পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছে থাকলেও এই ব্যস্ততার মাঝে তা সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন তিনি এবং তাঁর পরিবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দমে যাননি তিনি। রাসন নেহেরু বিদ্যাপীঠে তাঁর পরীক্ষার আসন পড়েছিল।গায়ে হলুদের পোশাক ও প্রসাধনী পরেই তিনি পৌঁছে যান পরীক্ষাকেন্দ্রে।
advertisement
আরও পড়ুনArijit Singh: “গুরুদেব! এটাই তো চেয়েছিলাম আমরা”… অরিজিতের নতুন যাত্রায় এভাবেই কমেন্ট করল ভক্তরা!
শ্বশুরবাড়ির অকুন্ঠ সমর্থন সাধারণত বিয়ের আমেজে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধা আসার সম্ভাবনা থাকলেও,মৌসুমীর ক্ষেত্রে চিত্রটা ছিল উল্টো। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, পরীক্ষা খুব ভাল হয়েছে। তবে আজ এখানে পৌঁছাতে পারতাম না যদি আমার হবু শ্বশুরবাড়ির লোকজন এবং স্বামী আমাকে সমর্থন না করতেন। তাঁরাই সাহস দিয়েছেন যাতে বিয়ের আচারের মাঝেও আমি পরীক্ষাটা দিতে পারি।” এই ঘটনা সত্যি যেন অনুপ্রেরণার নজির হিসেবে থেকে যাবে৷ পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকরাও মৌসুমীর এই নিষ্ঠা দেখে অবাক হয়েছেন। সকলে তাঁকে বিয়ের শুভচ্ছাও জানান৷
রবিবার, ১ মার্চ এসএসসি গ্রুপ-সি শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষা। দীর্ঘ অপেক্ষার আজ, রবিবারেই পরীক্ষাতে বসবেন পরীক্ষার্থীরা৷ আর এ দিনই রাজ্যে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তাই পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সতর্ক স্কুল সার্ভিস কমিশন। পাশাপাশি অযোগ্য প্রার্থীরা যাতে কোনওভাবে পরীক্ষায় বসতে না পারে, তা নিয়েও বিশেষ সতর্ক স্কুল সার্ভিস কমিশন৷ আজ, ১ মার্চ গ্রুপ-সি শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষার পর আগামী ৮ই মার্চ হবে গ্রুপ-ডি নিয়োগের পরীক্ষা৷ ওই দিনও যাতে একই রকমের ব্যবস্থা করা হয় তার জন্য এসএসসির পক্ষ থেকে চিঠি দুই পুলিশ কর্তাকে। আজকের পরীক্ষায় পরীক্ষায় বসতে চলেছেন গ্রুপ সি পদে চাকরিহারা যোগ্য রাও।
পঙ্কজ দাশ রথী
