TRENDING:

কোথায় কেনা হবে ফ্ল্যাট তাই নিয়েই নাকি হবু স্ত্রী-র সঙ্গে বচসা, আনন্দপুর কাণ্ডের অভিযুক্তের বয়ানে চাঞ্চল্য

Last Updated:

বচসার মাঝে অভিযুক্তের আঙুল কামড়ে দিয়েছিলেন তরুণী, গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়ার কথা অস্বীকার অভিযুক্তের৷

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#কলকাতা: তারা বন্ধু নন। প্রেমের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আনন্দপুর-কাণ্ডে অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীর বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে। তাই নতুন জীবন শুরুর আগে কোথায় ফ্ল্যাট কিনবেন তা নিয়েই শনিবার রাতে বচসা চলছিল ওই তরুণী ও অভিযুক্ত অভিষেক পান্ডের মধ্যে। সেই সময় ওই তরুণী মাথা গরম করে ফেলে আচমকাই অভিযুক্তের ডান হাতের আঙ্গুলে কামড় বসায়। তারপর নিজেই চলন্ত গাড়িতে নামতে গিয়ে পা হড়কে পড়ে যায় রাস্তায়। উদ্ধারকারী নীলাঞ্জনা দেবী তরুনীকে রাস্তায় পড়ে যেতে দেখে ভেবেছিলেন হয়তো তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তরুণীকে গাড়ি থেকে ফেলে দেননি বলে গ্রেফতারের পর পুলিশি জেরায় দাবি করেছে অভিযুক্ত অভিষেক পান্ডে। যদিও তার এই বক্তব্য কতটা সত্যি তা জানতে দু'জনকেই মুখোমুখি বসে জেরা করা হবে।
advertisement

শনিবার রাতে আনন্দপুরের ওই ঘটনার তিন দিনের মাথায় মঙ্গলবার দমদম গোরাবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত অভিষেককে। ওই রাতেই তাকে থানায় দীর্ঘক্ষন জেরা করে তদন্তকারী অফিসারেরা। সেখানেই তদন্তকারীদের কাছে অভিযুক্ত দাবি করে সে ওই তরুণীকে গাড়ি থেকে ফেলেনি। ব্যক্তিগত বিষয়ে তাদের মধ্যে বচসা বাধে। তারপর ওই তরুণী চলন্ত গাড়ি থেকে নামতে গিয়ে পা হড়কে পড়ে যান। তাই দেখে নীলাঞ্জনা দেবী বাঁচাতে ছুটে এলে তাকে জানানো হয় এটা তাদের ব্যক্তিগত সমস্যা। কিন্তু তারপরেও তিনি ছুটে আসেন তরুণীকে উদ্ধার করতে। সেই সময়ে গাড়ি ঘোরাতে গিয়েই নীলাঞ্জনা দেবীর পায়ের উপর দিয়ে তার গাড়ির চাকা চলে যায়। তা দেখে ভয়ে পালিয়ে যায় অভিষেক।

advertisement

ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে সোজা নিজের বাড়িতে গিয়ে গাড়ি পার্ক করে অভিযুক্ত। তারপর মা'কে গোটা ঘটনা জানায়। সেই রাত নিজের বাড়িতেই কাটায় অভিষেক। তারপর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা কলকাতা তোলপাড় হলে পরদিন এক আইনজীবীর পরামর্শে গা ঢাকা দেয় সে। প্রথমে মুকুন্দপুরের একটি গেষ্ট হাউসে যায়। সেখানে একদিন থাকে। তারপর সেখান থেকে পালায়। গেস্ট হাউসে তার লুকিয়ে থাকার বিষয়টি পুলিশ জানতে পেরে সেখানে গেলেও তার আগেই চম্পট দেয় অভিযুক্ত। তারপর আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে দমদমের গোরাবাজারে বন্ধুদের মেসে গিয়ে ওঠে। সেখানেও একদিন কাটানোর পর আবার অবস্থান বদল করে। এভাবেই ঘনঘন নিজের লোকেশন পাল্টাতে থাকে আইনজীবীর পরামর্শ মেনে।

advertisement

ঘনঘন জায়গা বদল করার কারণে পুলিশ তাকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। তবে বিশেষ সূত্রে পুলিশ জানতে পারে, গা ঢাকা দেওয়ার সময়ও মা, দিদি, জামাইবাবু ও প্রেমিকার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ রয়েছে অভিযুক্তের।

তারপর পরিবারের ওপর চাপ তৈরি করে পুলিশ। কারণ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে সব খবরই পাচ্ছিল অভিষেক। তাই তার মা সহ পরিবারের প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মা ও জামাইবাবুকে। তাতেই আরও চাপে পড়ে যায় অভিষেক। শেষমেষ কলকাতা ছেড়ে দমদমে বন্ধুদের সেই মেসে পালানোর চেষ্টা করে। সেই খবর পেয়েই দমদম থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
এই চাষেই জমিতে কমছে নুনের ভাগ! সুন্দরবনে  ফলছে কাপাস তুলো
আরও দেখুন

SUJOY PAL

বাংলা খবর/ খবর/ক্রাইম/
কোথায় কেনা হবে ফ্ল্যাট তাই নিয়েই নাকি হবু স্ত্রী-র সঙ্গে বচসা, আনন্দপুর কাণ্ডের অভিযুক্তের বয়ানে চাঞ্চল্য
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল