তার পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে,নাবালিকাকে পর পর তিনবার ধর্ষণ করেছিল তার পাতানো মামা। অভিযুক্ত বছর চল্লিশের এক বিবাহিত।
নাবালিকার বাবা পেশায় দিনমজুর। তার মা এক বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বছর তিনেক আগে পাতানো মামার সঙ্গে পরিচয় হয় নাবালিকার। তার মাসির বাড়ির প্রতিবেশী ওই ব্যক্তি। তখন সে ৫ শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। ধীরে ধীরে মামা ভাগ্নির সম্পর্ক তৈরি হয়। স্কুটিতে ঘুরতে যাওয়ার নাম করে চা বাগান এলাকায় প্রথম ধর্ষণ করা হয় বলে ওই নাবালিকা ও তার পরিবার জানিয়েছে। গত বছর অগাস্ট মাসে ওই স্কুল পড়ুয়াকে জংশন চা বাগান এলাকায় ঘুরতে নিয়ে গিয়ে খাবারের সঙ্গে নেশার দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।
advertisement
আরও পড়ুন: প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বাইসনের শিকার মহিলা, কালচিনিতে শোরগোল!
এর পরেও চাউমিন ও মোমো খাওয়ার লোভ দেখিয়ে আরও দু'বার ধর্ষণের অভিযোগ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। নাবালিকাকে ভয়ও দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভয়ে পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে এই ঘটনা লুকিয়ে রাখে ওই নাবালিকা। তবে সম্প্রতি ওই নাবালিকার শারীরিক গঠন পরিবর্তন হওয়া ও খাবার-দাবারে রুচি পরিবর্তন হতেই পরিবারের সন্দেহ হয়। তারপর কিশোরী ধর্ষণের সমস্ত ঘটনা খুলে জানায়। এরপরেই আল্ট্রা সোনোগ্রাফি করতেই চক্ষু চড়কগাছ পরিবারের। গর্ভের শিশুর বয়স আট মাস হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: কী কাণ্ড স্কুলে! মিড ডে মিলে নেই ভাত, ডাল কিছুই! দেওয়া হল শুধু ডিম
নাবালিকার গর্ভবতী হওয়ার ঘটনা বেশ কয়েকদিন আগে সুনিশ্চিত হলেও, একাধিক ব্যক্তির পরামর্শে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগে নাবালিকার পরিবারের। অবশেষে এলাকার কয়েকজন সহৃদয় ব্যক্তির পরামর্শ এবং সহযোগিতায় এদিন আলিপুরদুয়ার মহিলা থানায় ওই নাবালিকার পরিবার ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এই বিষয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানান, অভিযোগ পেতেই আলিপুরদুয়ার মহিলা থানায় একটি নাবালিকা ধর্ষণের মামলা রুজু করা হয়েছে। গর্ভবতী থাকায় নাবালিকাকে এই মুহূর্তে শারীরিক পরীক্ষার জন্য জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জংশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অনন্যা দে






