বুধবার ১০০ জন্মের হাতে তুলে দেওয়া হয় জরুরী সামগ্রী। বৃহস্পতিবার আরও আড়াইশো জন প্রান্তিক মানুষকে চাল,ডাল দিয়ে সাহায্য করেন ঈশান। মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রত্যেককে চাল বিতরণ করা হয়। টেলিফোনে ঈশান জানান, "এই কঠিন সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সবরকম চেষ্টা করছি। এখন পর্যন্ত সাড়ে তিনশ মানুষকে সাহায্য করতে পেরেছি। প্রয়োজনে আরও করবো।" শুধু চাল,ডাল দিয়ে সাহায্যই নয়। দিন কয়েক আগে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের আপৎকালীন ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা অনুদান দেন অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের এই ক্রিকেটার। এমনকি স্থানীয় একটি হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য মাস্ক, গ্লাভস, স্যাজনিটাইজার কেনার জন্য দশ হাজার টাকা অনুদান দেন ঈশান।
advertisement
রঞ্জি ফাইনাল খেলে রাজকোট থেকে ফেরার পর চন্দননগরের বাড়িতেই গৃহবন্দী ঈশান। সিএবি ট্রেনার সঞ্জীব দাসের কাছে অনলাইনে ফিটনেস ট্রেনিং করছেন বাড়ির ছাদে। বাকি সময়টা কাটছে প্লে-স্টেশনে ফিফা গেম খেলে। মা, বাবার সঙ্গে বাড়িতে বসে পুরনো বাংলা সিনেমা দেখছেন ঈশান। আর মাঝেমধ্যে ফেসবুক লাইভে বসে পড়ছেন প্রথমবার আইপিএলের সুযোগ পাওয়া এই বঙ্গ পেসার। এদিকে আইপিএল অনিশ্চিত! আইপিএল না হলে তাহলে কতটা খারাপ লাগবে? ঈশানের অকপট উত্তর, "একদমই খারাপ লাগবে না। একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। প্রত্যেক খেলোয়াড় এই সমস্যায় পড়েছে। আগে মানুষের প্রাণ বাঁচুক। খেলার জন্য অনেক সময় রয়েছে।"
ERON ROY BURMAN
