অর্থমন্ত্রী জানালেন, ভারতের বাইরে পোর্টফোলিয়ো বিনিয়োগ প্রকল্পের মাধ্যমে ইকুইটিতে বিনিয়োগ করার অনুমতি দেওয়া হবে। ব্যক্তিগত সীমা ৫% থেকে বাড়িয়ে ১০% করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যেখানে এই ধরনের সমস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্মিলিত সীমা ১০% থেকে বাড়িয়ে ২৪% করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ব্যক্তিগত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় সংস্থাগুলিতে আরও অর্থবহ অংশীদার হতে পারেন।
advertisement
নির্মলা বলেন, ‘‘আমরা এখন অনেক কম আমদানি নির্ভর। কৃষিতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ মানুষদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। সকলের জন্য বিকাশ করতে হবে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। ১০ হাজার কোটি টাকা বায়োফার্মা প্রকল্পে দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা এদিকে নজর দেবেন। ভারতের ‘সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০’ সেমিকন্ডাক্টরের জন্য সেমিকন্ডাক্টর সেক্টরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হবে৷ অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা, তামিলনাড়ুর দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। তৈরি করা হবে মেগা টেক্সটাইল পার্ক।‘‘
২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটটি কেবল অর্থনৈতিক হিসেব-নিকেশ নয়, বরং ভারতের ভবিষ্যত উন্নয়ন পথের একটি নীতিগত মানচিত্র হিসেবে কাজ করবে। কর, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তি-নির্ভর ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন বর্তমান বাজেটের মূল আকর্ষণ হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। ২০২৪ সালে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। তার পর থেকে এই নিয়ে তৃতীয় বার সংসদে বাজেট পেশ করলেন নির্মলা।
