দেশের মোট চা উৎপাদনের কমবেশি ৫৫-৬০ শতাংশ আসে ক্ষুদ্র চা বাগান থেকে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে ক্ষুদ্র চা চাষের সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি, বাজেট পেশের বেশ কিছু আগে ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির তরফে একটি ‘মেমোরেন্ডাম’ পাঠান হয় কেন্দ্রীয় অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রকের কাছে। কৃষিজীবীর স্বীকৃতি দাবি করেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। তবে, সে গুড়ে বালি। বাজেটে এই তকমা দেওয়া হয়নি তাদের। এই স্বীকৃতি পেলে অন্য কৃষিজীবীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে ১৮টি প্রকল্প রয়েছে, তার সুবিধা পেতেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। এমনকি বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং চা’-এর জন্যও কোনও বরাদ্দ নেই বাজেটে। সংগঠনের সম্পাদক বিজয় গোপাল চক্রবর্তী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল ও তামিলনাড়ুতে ভাল চায়ের চাষ হয়। বাজেটে চা শিল্পের জন্য কোনও আলাদা বরাদ্দ বা প্যাকেজ নেই। এ দিকে কাজু ও নারকেল চাষি ও পশুপালনকারীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। আমরা সত্যিই হতাশ।”
advertisement
রবিবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই নিয়ে টানা নবম বারের জন্য বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। রবিবার বাজেট পেশের পরে দেখা গেল, পশ্চিমবাংলার জন্য পরিকাঠামো উন্নয়নে মাত্রই তিনটি প্রকল্প ঘোষণা করেছেন নির্মলা। শিলিগুড়ি-বারাণসী দ্রুত গতির রেল চলাচলের করিডর, ডানকুনি-সুরত ফ্রেট করিডর এবং দুর্গাপুরে শিল্প করিডর গড়ে তোলার। এই রাজ্যের ক্ষেত্রে যা যা ঘোষণ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, তা পুরোটাই পরিকাঠামো উন্নয়ন খাতে। যার সঙ্গে জুড়ে রয়েছে কর্মসংস্থানের প্রশ্ন।
