বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, কেউ যদি ঋণের ফাঁদে আটকে পড়েন, তাহলে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এটি থেকে বেরিয়ে আসার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। এই সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার কিছু উপায় আছে।
আরও পড়ুন: ২০,০০০ টাকার SIP তিন মাসও মিস করলে ২ কোটি টাকার ক্ষতি, এই বিনিয়োগের ফর্মুলা বুঝুন
১. সমস্ত ঋণকে একইভাবে বিবেচনা না করা
advertisement
আমরা সমস্ত ঋণকে একইভাবে বিবেচনা করতে পারি না। উদাহরণস্বরূপ, দীর্ঘমেয়াদী, কম সুদের গৃহ ঋণকে ক্রেডিট কার্ডের রোলিং ব্যালেন্স বা ব্যক্তিগত ঋণের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। তাই সমস্ত ঋণের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, তাদের সুদের হার এবং EMI বিবেচনা করতে হবে। উচ্চ সুদের হারের ঋণগুলি প্রথমে পরিশোধ করা উচিত।
২. মাসিক খরচ পর্যালোচনা
আমরা যখন ধারাবাহিকভাবে আমাদের আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করি তখন ঋণের চাপ বাড়তে শুরু করে। অতএব, মাসিক খরচ পর্যালোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোথায় অতিরিক্ত খরচ করা হচ্ছে বা কোন খরচ কমানো যেতে পারে তা শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। এটি করলে মাসিক নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।
৩. ঋণ পরিশোধকে অগ্রাধিকার
যদি ক্রেডিট কার্ডের ব্যালেন্স প্রতি মাসে বেড়ে যায়, তাহলে সম্ভবত এটি আর্থিক অবস্থার উপর সবচেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি করছে। এর কারণ হল ব্যাঙ্কগুলি ক্রেডিট কার্ডের ব্যালেন্সের উপর উচ্চ সুদ নেয়। অতএব, ক্রেডিট কার্ডের ব্যালেন্স দুই বা তিনবারের পরিবর্তে একবারে পরিশোধ করা যেতে পারে।
৪. জীবনধারা এবং প্রয়োজনীয় ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ বাইরে খাওয়া এবং ছুটি কাটানো অন্তর্ভুক্ত। ঋণমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের খরচ স্থগিত রাখা যেতে পারে। এটি আর্থিক অবস্থার উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আরও পড়ুন: ২৮ দিনে সোনার দাম ১৮% বেড়ে ৫,২০০ ডলারে পৌঁছেছে, রুপোর দাম একদিনেই বেড়েছে ৪০,০০০ টাকা
৫. বোনাস এবং কর ফেরতের সঠিক ব্যবহার
বোনাস বা কর ফেরতের আকারে একগুচ্ছ অর্থ পাওয়া যায়। এই অর্থ ব্যয় করার সময় সতর্কতা অপরিহার্য। এই অর্থ ঋণ থেকে মুক্তি দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি গ্রহণ করার আগে এর সঠিক ব্যবহার বিবেচনা করা উচিত। এটি অন্য কোথাও টাকা নষ্ট হওয়া রোধ করবে।
