এ ব্যাপারে নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রমের কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান তথা বরিষ্ঠ বিজ্ঞানী বলেন, “আমরা প্রাকৃতিক উপায়ে ফুলের পরাগ মিলন ঘটিয়ে মধু উৎপাদন করি। আর এবার মধুর পাশাপাশি মোমের ব্যবহারের উপর জোর দিচ্ছি। যাতে এই মোমবাতি তৈরি করে বিক্রয় করে স্বনির্ভর হতে পারে এলাকার মানুষ। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলার এই মোমকে কাজে লাগিয়ে মোমবাতি তৈরি করতে পারে।”
advertisement
প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি এই মোমবাতি থেকে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হবে না। আর বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে এই মোমবাতি থেকে। তাই নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রাকৃতিক উপায়ে বিভিন্ন ধরনের মোমবাতি তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে এবং সফলতা লাভ করেছে। এতে সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকা মৌলেরা গভীর জঙ্গলে মধু সংগ্রহ করার পাশাপাশি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মোমের ব্যবহার উন্নতি ঘটাতে এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে তারা। এতে যেমন আর্থিকভাবে ও অনেকটা এগিয়ে যেতে পারবে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য অনেকটা বজায় থাকবে। কারণ কৃত্রিম আর প্রাকৃতিকের মধ্যে অনেকটাই আলাদা





