বিশেষ করে এই পলু চাষ বা রেশম চাষ বেশি করে হচ্ছে বীরভূম জেলার নলহাটি থানার অন্তর্ভুক্ত বরলা গ্রাম পঞ্চায়েতের রুদিপুর গ্রামে। এই গ্রামে প্রায় ১২০ টি পরিবারের বসবাস। তার মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ পরিবার পলু চাষের সঙ্গে যুক্ত। বাপ-ঠাকুরদার আমল থেকেই এই চাষ করে আসছেন তাঁরা। কীভাবে হচ্ছে এই চাষ! এই বিষয়ে এই চাষের সঙ্গে যুক্ত এক মহিলা মামনি মণ্ডল জানান, পলু বা রেশম পোকা চাষ হচ্ছে মূলত তুঁত গাছের পাতা খাইয়ে রেশম সুতা উৎপাদনকারী পোকা পালনের এক ধরনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
advertisement
আরও পড়ুন: রেলের বড় পদক্ষেপ! দিঘা-তমলুক রুটের গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে মেরামতি, স্বস্তিতে হাজার হাজার মানুষ
ডিম ফুটে পোকা বের হলে সেগুলোকে পরিষ্কার ডালা বা ট্রে-তে রাখা হয়। তাদের খাবার হিসেবে প্রথমে ছোট ছোট কচি তুঁত পাতা কেটে খাওয়ানো হয়। পরে বড় পাতা দেওয়া হয়। পোকাগুলোর বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ৩-৪ বার খোলস বা চামড়া বদলায়। খোলস বদলানোর সময় সেই পোকাদের খাবার দেওয়া হয় না। পলু যখন পরিণত হয় কমপক্ষে ২৫-৩০ দিন পর, তখন খাওয়ার বদলে গুটি তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই পলু চাষ করে কেমন উপার্জন হচ্ছে আর কত দাম মিলছে? এই বিষয়ে জানা যায়, আগে ১ মণ অর্থাৎ প্রায় ৪০ সের বা ৩৭.৩২ কিলোগ্রামে প্রায় ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা পাওয়া যেত, তবে এই বছর অংকের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে অনেকটাই প্রায় ১৮ হাজার টাকার কাছাকাছি। বীরভূম জেলা থেকে এই পলু চাষ হওয়ার পর সুতো তৈরির জন্য বা অন্যান্য কাজের জন্য এটি পৌঁছে যায় মালদহ থেকে শুরু করে বহরমপুর, আসানসোল এমন বিভিন্ন জায়গায়।





