পূর্ববর্তী ৯৩.৭৬-টাকার তুলনায় মুদ্রাটির দর কমেছে, যা গত সেশনে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১.২% পতন নির্দেশ করে—ফেব্রুয়ারি ২০২২-র পর এটিই সর্বোচ্চ। অফশোর বাজারে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকা ইতিমধ্যেই ৯৪-র স্তর অতিক্রম করেছে, যা সর্বক্ষণের চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দিনের শুরুতে নন-ডেলিভারেবল ফরোয়ার্ডস (এনডিএফ) বাজারের দর ৯৩.৭৮–৯৩.৮২ এর একটি প্রারম্ভিক পরিসীমা নির্দেশ করেছিল।
advertisement
আরও পড়ুন – Water in Name Petrol: একেই তেল ভরতে ‘মাথার ঘাম পায়ে’, তার মধ্যে তেল না পেয়ে জল দিচ্ছে, তারপর যা যা হল
এদিকে, অপরিশোধিত তেলের দাম (Crude oil price ) ঊর্ধ্বমুখী ছিল, যেখানে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেল ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলারের উপরে এবং মার্কিন অপরিশোধিত তেল ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছিল, যা ভারতের আমদানি ব্যয় এবং মুদ্রার স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদন সূত্রের দাবি অনুসারে, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ডলারের নিট শর্ট পজিশন—যা তাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অগ্রিম বিক্রয়কে প্রতিফলিত করে—অনশোর ও অফশোর বাজার মিলিয়ে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্থ উত্তোলনের ফলেও টাকার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বৈশ্বিক তহবিলগুলি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ভারতীয় শেয়ার বিক্রি করেছে, যা গত বছরের মোট ১৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থ উত্তোলনের প্রায় অর্ধেক। এছাড়াও, মার্চ মাসে সূচক-যোগ্য বন্ডগুলি (index eligible bonds) থেকে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলারের বহিঃপ্রবাহ দেখা গেছে, যা সেগুলিকে একটি রেকর্ড মাসিক বিক্রির পথে ঠেলে দিচ্ছে।
