স্থানীয় বিভিন্ন সরকারি মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীতে এই কাঠের অগ্নিবীণা ইতিমধ্যেই বিশেষ সাড়া ফেলেছে। ধীরে ধীরে ক্রেতাদের মধ্যেও এর চাহিদা বাড়ছে। ফলে এই শিল্পই আজ লোটন ও মালা সূত্রধর দম্পতির জীবিকার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে।
advertisement
নিজেদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সৃজনশীলতার জোরে তাঁরা ধীরে ধীরে আর্থিক স্বাবলম্বিতার দিকেও এগিয়ে চলেছেন। গ্রামের মাটিতে বসেই এমন অভিনব ও শৈল্পিক কাজ হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যেও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, যথাযথ প্রচার ও সরকারি সহায়তা পেলে এই ধরনের গ্রামীণ শিল্প শুধু পুরুলিয়া জেলা নয়, রাজ্য ও দেশের স্তরেও বিশেষ পরিচিতি লাভ করতে পারে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বেড়ো গ্রামের এই শিল্পী দম্পতির হাতে তৈরি অগ্নিবীণা শিল্পকর্ম আজ এলাকায় তো বটেই, পুরুলিয়া জেলার মধ্যেও এক নতুন সম্ভাবনার দিশা দেখাচ্ছে। গ্রামীণ প্রতিভা ও সৃজনশীলতার এই অনন্য নিদর্শন ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে সমাদৃত হবে বলেই আশা করছেন অনেকেই।





