প্রতিদিন ভোর থেকেই ভ্যানে নিয়ে বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ায় পৌঁছে যান পরিমলবাবু। প্রতিদিন কম বেশি ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরতে হয়। এরপর গাছের মালিকদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিয়ে সংগ্রহ করা হয় কাঁঠাল পাতা। পরে সেই পাতা একত্র করে বাজারে নিয়ে গিয়ে তুলনামূলক চড়া দামে বিক্রি করা হয়। মূলত খাসি বা ছাগলের খাদ্য হিসেবে এই কাঁঠাল পাতার চাহিদা যথেষ্ট বেশি।
advertisement
আনোয়ার আলী জানান, কাঁঠাল পাতায় পুষ্টিগুণ থাকায় ছাগল পালকদের কাছে এর কদর সবসময়ই থাকে। বিশেষ করে সবুজ ঘাসের জোগান কম থাকলে এই পাতাই হয়ে ওঠে বিকল্প খাদ্য। তাই সারা বছরই এর চাহিদা বজায় থাকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আর এসবের কারণে অবহেলিত এই কাঁঠাল পাতাই আনোয়ার আলীর রোজগারের উৎস হয়ে উঠেছে। অল্প পুঁজি, পরিশ্রম আর নিয়মিত যোগাযোগ- এই তিনের জোরেই তিনি পরিবার চালাচ্ছেন সচ্ছলভাবে। গ্রামাঞ্চলের এমন ছোট কিন্তু টিকে থাকার মতো উদ্যোগ আজও বহু মানুষের জীবনে স্বনির্ভরতার পথ দেখায়। কাঁঠাল পাতা সংগ্রহে ৭০০- ৮০০ টাকা খরচ পড়লেও, লাভ হয় দ্বিগুণ। ২৬ বছর ধরে তাই পাতা বিক্রি করেই ঈশ্বরী গাছার বাসিন্দা আনোয়ার আলী পরিবারের মুখে ফোটাচ্ছেন হাসি।





