এখানে ফুলের ব্যবসার কথা বলা হচ্ছে। এতে খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন নেই। ব্যবসা যত বড় হবে, লাভ বাড়বে পাল্লা দিয়ে। ভারত উৎসব ও পার্বণের দেশ। প্রতি মাসেই কোনও না কোনও পুজো লেগেই আছে। তাছাড়া দেশ জুড়ে রয়েছে অসংখ্য মন্দির। নিত্য পুজোর জন্য সেখানেও প্রতিদিন ফুল লাগে। তাছাড়া বিয়ে, অন্নপ্রাশন, জন্মদিন, শ্রাদ্ধের মতো অনুষ্ঠানেও ফুলের প্রয়োজন হয়। তাই এ দেশে ফুলের ব্যবসা করে মোটা টাকা আয় করার সম্ভাবনা রয়েছে।
advertisement
কী কী লাগবে: প্রথমত অনুমতি প্রয়োজন। এরপর চাই জিএসটি নম্বর। বড় আকারে ব্যবসা শুরু করতে চাইলে ১০০০ থেকে ১৫০০০ বর্গফুট জায়গা লাগবে। ফুলের ব্যবসা সাধারণত একদিনের হয়। অর্থাৎ চাষির থেকে ফুল কিনে সেদিনই বিক্রি করে দিতে হয়। বড় জোর তার পরদিন। নাহলে ফুল নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ফুলের তাজাভাব বজায় রাখতে এবং শেলফ লাইফ বাড়ানোর জন্য একটা রেফ্রিজারেটরের প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি কৃষকদের থেকে ফুল এনে সেগুলো প্যাকিং এবং ডেলিভারির জন্য ২ থেকে ৩ জন কর্মচারী রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: বিনপুর থেকে গ্রেফতার এক দম্পতি, পুলিশ সূত্রে মিলল মারাত্মক তথ্য! আশঙ্কায় জঙ্গলমহল
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের ফুলের চাহিদা থাকে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ফুল তৈরি রাখতে হবে। এজন্য বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে কাজ সহজ হবে নাহলে চাষিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ফুল কাটা, বাঁধা এবং তোড়া তৈরির জন্য কিছু সরঞ্জাম প্রয়োজন। সেগুলো কিনতে হবে। তবে তার খরচ খুব বেশি নয়।
ব্যবসায়িক কৌশল: এই যুগে ব্যবসাকে অবশ্যই অনলাইনে নিয়ে যেতে হবে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অর্ডার পাওয়া যায়। আবার ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট তৈরি করলে অর্ডার বাড়বে বিশ্বাসযোগ্যতাও তৈরি হবে।
আরও পড়ুন: বড় খবর! রিলে শেয়ার করা হচ্ছে টিকটকের ভিডিও, আরও কড়া ইনস্টাগ্রাম! কী কী বদল?
পুঁজি এবং মুনাফা: ফুলের দাম তার ধরনের উপর নির্ভর করে। একই দামে গাঁদা এবং গোলাপ পাওয়া যাবে না। তাই প্রাথমিকভাবে খরচের হিসাব পাওয়া একটু কঠিন। তবে বড় করে দেখলে এই ব্যবসায় ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। ফুল ছাড়াও কিছু জিনিস কেনা এবং ভাড়া করতেও খরচ হবে। ক্ষেতে একটি ফুল ৩ টাকায় কিনলে বাজারে সেটা ৬ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি করা যায়। অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি লাভের সুযোগ থাকছে।
