তিনি আরও বলেন, ‘জিও-ব্ল্যাকরকের মূল সুযোগটি রয়েছে পারিবারিক আর্থিক কিছু ব্যবস্থায় ঠিকঠাক পরিবর্তন আনার মধ্যে দিয়েই। একটা কথা মনে রাখতে হবে। আর তা হল শুধু সঞ্চয় করার মানসিকতা থাকলে হবে না। সেটা যেমন থাকবে, তার পাশাপাশি পুঁজিবাজারে আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে। এ জন্য সহজলভ্য ও বিশ্বাসযোগ্য বিনিয়োগের পথ তৈরি করা জরুরি।’ মুকেশ আম্বানি মনে করেন, ‘ভারতীয়রা গত পাঁচ বা ছয় দশক ধরে নিয়মিত সঞ্চয় করে আসছেন, কিন্তু সেই সঞ্চয় উৎপাদনশীল হয়নি।’
advertisement
তিনি আরও জানান, ‘জিও-ব্ল্যাকরকের প্রধান লক্ষ্য হল সঞ্চয়কারীদের বিনিয়োগকারীতে রূপান্তর করা এবং তাদের এমন সুযোগ দেওয়া, যাতে সঞ্চয়কে সম্পদে পরিণত করা যায়। জিও-ব্ল্যাকরকে আমাদের কাছে সুযোগ হল ভারতীয়দের সঞ্চয়ে উৎসাহিত করা এবং সেই সঞ্চয়কে আয়ে রূপান্তর করার সুযোগ করে দেওয়া।’ এই রূপান্তরের জন্য ভারতের সঞ্চয় মানসিকতাকে বজায় রেখে ঘাটতিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সরে আসা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
