বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দৌলতে ভুল ধারণার অবসান ঘটেছে। মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগও এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে। অ্যাপ এবং প্রযুক্তি গেম চেঞ্জারের ভূমিকা নিয়েছে, বিনিয়োগের দুনিয়াও এর থেকে আলাদা নয়।
আরও পড়ুন: সব থেকে বেশি লাভ করতে চাইছেন ? জেনে নিন কত বছর পর SIP-র টাকা তোলা উচিত
advertisement
শুরু করা সহজ: বাজারে একাধিক মিউচুয়াল ফান্ড অ্যাপ রয়েছে। এটা সবচেয়ে বড় সুবিধা। আজ খুব সহজেই নথিপত্র আপলোড করে অনলাইনে যাচাই করা যায়। শারীরিকভাবে অর্থাৎ কাজগপত্র অফিসে নিয়ে গিয়ে, অ্যাটেস্টেড করে জমা দেওয়ার ঝক্কি পোহাতে হয় না। যে কোনও প্ল্যাটফর্মে সেগুলো শেয়ার করতে পারেন বিনিয়োগকারীরা।
স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগ: আরও একটা জিনিস বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে, সেটা হল অটোমেশন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা এবং ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবেই সর্বাধিক রিটার্ন মিলবে। কিন্তু এই দুটি জিনিসই সবচেয়ে কঠিন। এই সমস্যার সমাধান করেছে স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগ। বিনিয়োগের জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয় অ্যাপ। এই নিয়ে আলাদা করে চিন্তা করতে হয় না।
আরও পড়ুন: SBI থেকে PNB, কোন ব্যাঙ্ক সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে, FD করার আগে দেখে নিন
মিউচুয়াল ফান্ড অ্যাপগুলোতে মাইক্রো বিনিয়োগেরও অপশন থাকে। অর্থাৎ শুরুতেই মোটা অঙ্কের টাকা ঢালতে হবেম তার কোনও মানে নেই। বরং ১০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দিয়েও বিনিয়োগ শুরু করা যায়। তাছাড়া এই সব অ্যাপগুলো সাবস্ক্রিপশন চার্জ নেয়। সোজা কথায় সাশ্রয়ী।
সতর্কতা: মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের কোনও সর্বোচ্চ সীমা নেই। বিনিয়োগ করাও সহজ। তাই আবেগের বশে অনেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। বিশেষ করে নতুন বিনিয়োগকারীরা কোনও গবেষণা, বাজার বিশ্লেষণ না করেই বিনিয়োগ শুরু করে দেন। একাধিক টেলিগ্রাম চ্যানেল এই নিয়ে নানা রকম টিপসও দেয়। কিন্তু সে সব কার্যকরী, তা খতিয়ে দেখেন না অনেকেই। ফলে ভুল হয়। বিনিয়োগ নিরাপদ এবং আর্থিক লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা নিজেকেই বিবেচনা করে দেখতে হয়।
News18 Bangla এবার Whatsapp-এ, এক ক্লিকেই খবরের আপডেট জানতে সাবস্ক্রাইব করুন- https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
