তিনি বলেন, জিও-ব্ল্যাকরকের মূল সুযোগ রয়েছে গৃহস্থালির আচরণে পরিবর্তন আনার মধ্যে। শুধু সঞ্চয় জমানো থেকে বেরিয়ে এসে পুঁজিবাজারে আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণে উৎসাহ দেওয়া। এর জন্য সহজলভ্য ও বিশ্বাসযোগ্য বিনিয়োগের পথ তৈরি করা জরুরি। আম্বানি বলেছেন, “গত পাঁচ-ছয় দশক ধরে ভারতীয়রা নিয়মিত সঞ্চয় করে এসেছে। কিন্তু সেই সঞ্চয় উৎপাদনশীল হয়ে ওঠেনি।”
advertisement
আম্বানি আরও বলেন, জিও-ব্ল্যাকরকের প্রধান লক্ষ্য হল সঞ্চয়কারীদের বিনিয়োগকারীতে পরিণত করা এবং তাদের এমন সুযোগ দেওয়া, যাতে অব্যবহৃত সঞ্চয়কে আয়-সৃষ্টিকারী সম্পদে রূপান্তর করা যায়। তিনি বলেন, “জিও-ব্ল্যাকরকে আমাদের সুযোগ হল ভারতীয়দের সঞ্চয়ে উৎসাহ দেওয়া এবং সেই সঞ্চয়কে আয়ে পরিণত করার বিকল্প পথ তুলে ধরা।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই পরিবর্তনের জন্য ভারতের সঞ্চয়ের মানসিকতা বজায় রাখা জরুরি, তবে ঘাটতি-কেন্দ্রিক চিন্তাধারা থেকে সরে আসতে হবে। তাঁর মতে, বিনিয়োগের সুযোগে ব্যাপক প্রবেশাধিকার ব্যতিক্রম নয়, বরং একটি মৌলিক প্রত্যাশা হওয়া উচিত।
আরও পড়ুন- ২০০৮-এর পরে জোর খবর! একদিনেই সোনা-রুপোর দামে রেকর্ড পরিবর্তন, মঙ্গলবারের দাম চমকে দেবে
আম্বানি আরও জানান, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ব্ল্যাকরকের মধ্যে একটি অভিন্ন দর্শন রয়েছে। পুঁজি বণ্টনের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে ব্ল্যাকরকের সিইও ল্যারি ফিঙ্কের সঙ্গে হওয়া এক কথোপকথনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ব্ল্যাকরকের উদ্দেশ্য শুধু স্বল্পমেয়াদি ফলাফল বা বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মুনাফা অর্জন করা নয়। যদি সেই অর্থ প্রথমে সমাজের কল্যাণে কাজে না লাগে, তাহলে আমাদের কাজ সম্পূর্ণ হয় না। এটাই রিলায়েন্সের দর্শনও।”
