তেল মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, Liquefied Petroleum Gas (Regulation of Supply and Distribution) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে সরকারি তেল সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পিএনজি সংযোগ থাকা পরিবারকে আর এলপিজি সংযোগ বা রিফিল না দিতে।
আরও পড়ুনঃ কিডনি নষ্ট হওয়ার আগে শরীর দেয় সঙ্কেত! বিশ্ব কিডনি দিবসে জানুন সেই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলো
advertisement
ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি ব্যবহারকারী দেশ। কিন্তু দেশের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানির উপর নির্ভরশীল। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনে বড় ধাক্কা লেগেছে। এই সামুদ্রিক পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয়।
এই পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। লোকসভায় কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হারদ্বীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, নরওয়ে, কানাডা, আলজেরিয়া এবং রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত গ্যাসের কার্গো আনার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে দেশের রিফাইনারিগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে দেশীয় উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হয়ে বেশি সিলিন্ডার কিনে নেওয়ার প্রবণতার কারণেই অনেক জায়গায় এলপিজি ঘাটতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।এদিকে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতার পর আজ শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া–এর দুটি এলপিজি ট্যাঙ্কার শিবালিক এবং নন্দা দেবী সফলভাবে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে এসেছে। জাহাজ দুটি ১৬ ও ১৭ মার্চ যথাক্রমে মুন্দ্রা বন্দর এবং কান্দলা বন্দর পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
