তবে ট্রলার তৈরি করা কম ঝামেলার জিনিস নয়। ট্রলারটিকে মজবুত করে তৈরি করতে হয় প্রথমে। গভীর সমুদ্রে জলের ধাক্কা সহ‍্য করে টিকে থাকতে গেলে এই ট্রলারকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হয়। যার জন‍্য সময় লাগে অনেকটাই। প্রায় ৪ থেকে ৫ মাস পরিশ্রমের পর তৈরি হয় ট্রলার। খরচ হয় প্রায় এক কোটি টাকার কাছে। যার মধ‍্যে ইঞ্জিনের মূল‍্য প্রায় ১৪ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। এছাড়াও একটি প্রপেলারের ফ‍্যানের দাম থাকে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা।

advertisement

আরও পড়ুন: ১৮ রাজ্যকে গোল দিয়ে সেরার শিরোপা বাংলার! জাতীয় স্তরে পদক জিতে ফিরতেই খুদে নৃত্যশিল্পীদের রাজকীয় অভ্যর্থনা হাসনাবাদে

১০ থেকে ১২ জন শ্রমিকের মিলিত প্রচেষ্টায় একটি ট্রলার তৈরি হয়। ট্রলার তৈরিতে ব‍্যবহার করা শাল কাঠ, সেই কাঠের অভাবে ইউক‍্যালিপটাসের কাঠও ব‍্যবহার করা হয়ে থাকে। কাঠগুলিকে কেটে প্রথমে কাঠামো তৈরি করা হয়। এরপর সেটিকে জল প্রতিরোধক বানানো হয়।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

বর্তমানে ট্রলারের তলায় ফাইবার কোটিং করা হচ্ছে। যাতে জল একেবারেই প্রবেশ করে না। এই ট্রলার সাধারণ কারিগর তৈরি করতে পারে না। প্রথমে ছোট নৌকা তৈরি করা শিখতে হয়, পরে ধীরে ধীরে ট্রলার তৈরির কাজে হাত লাগাতে হয়। ট্রলারে ভিতরে অন্দরসজ্জা থেকে শুরু করে সবকিছু করতে হয়। একবার ট্রলার তৈরি হয়ে গেলে সেটিকে জলে নামানো হয়। এরপর ট্রলার সাগর থেকে ফিরে এলে আরও একবার ট্রলারের পাটাতন পরীক্ষা করা হয়। সারাবছর ছোটোখাটো কাজ লেগেই থাকে এই ট্রলার তৈরির জন‍্য। তবে একটি ট্রলার তৈরি হয়ে গেলে ট্রলারটি যতদিন নষ্ট না হয় ততদিন টাকা উপার্জন হতেই থাকে।

advertisement