স্থানীয় চাষিদের দাবি, মাত্র ৭-৮ কাঠা জমিতে গাঁদা চাষ করতে খরচ হয় আনুমানিক ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর সেখান থেকেই লাভ হয় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অল্প খরচ, তুলনামূলক কম পরিশ্রম এবং বেশি লাভের আশায় গত কয়েক বছর ধরে বহু চাষি ঝুঁকছেন এই ফুল চাষের দিকে। এমনকি পড়াশোনা শেষ করেও চাকরি না পেয়ে অনেক যুবক-যুবতী গাঁদা চাষকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। কারও পাঁচ কাঠা, কারও বা সাত কাঠা জমিজুড়ে সারিবদ্ধভাবে লাগানো হয়েছে গাঁদা ফুলের গাছ।
advertisement
আরও পড়ুন: FD করতে চাইছেন ? কোন ব্যাঙ্কগুলি সবচেয়ে ভাল সুদের হার দিচ্ছে এখানে জেনে নিন
হলুদ, কমলা ও রক্ত গাঁদার রঙে এখন প্রায় ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। বিকেলের মিঠে রোদে সেই রঙিন ফুলের মাঠ যেন এক মনোরম দৃশ্যের সৃষ্টি করছে। সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ফটোশুট করতে ভিড় জমাচ্ছেন নেটিজেনরাও। চাষিরা জানান, শুধু চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। নিয়মিত সার প্রয়োগ ও পরিচর্যার মাধ্যমে গাছকে সুস্থ রাখতে হয়।
আরও পড়ুন: পোস্ট অফিস RD স্কিমে মাসে ৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করলে ৫ বছরে আপনি কত টাকা পাবেন? হিসেব দেখে নিন
যদিও প্রায় সব আবহাওয়াতেই গাঁদা চাষ সম্ভব, তবে কুয়াশার কারণে গাছের কিছুটা ক্ষতি হয়। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করলে সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। এলাকার উৎপাদিত গাঁদা ফুল বারাসাত, হাওড়া সহ বিভিন্ন ফুলের বাজারে বিক্রি হচ্ছে। সেখান থেকে ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরা।
ঠাকুরনগর ও বনগাঁর পাশাপাশি এবার দত্তপুকুরও গাঁদা ফুল চাষ গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিচ্ছে বলেই মত স্থানীয় চাষীদের। সব মিলিয়ে, অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি গাঁদা চাষ এখন বহেড়া এলাকার মানুষের কাছে শুধু শখ নয়, বরং লাভজনক ও স্থায়ী আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে। সারা বছরই এই ফুলের চাহিদা থাকছে তুঙ্গে।
রুদ্র নারায়ণ রায়





