Gold Price Prediction 2026: সোনা কিনবেন না অপেক্ষা করবেন? ২০২৬ নিয়ে বাবা ভাঙার ভবিষ্যদ্বাণীতে বাজারে আতঙ্ক!
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
বাবা ভাঙা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ২০২৬ সালে সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে, যার ফলে সোনা কেনা ও মজুত করার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বাড়তে পারে।
আজকাল যেদিকে তাকান, একটাই আলোচনা—সোনা। টিভি চ্যানেল খুললেই একই খবর। সাধারণ মানুষ থেকে বড় ব্যবসায়ী—সবাই এখন সোনার দাম নিয়েই ব্যস্ত। গত সপ্তাহে আচমকা সোনার দাম পৌঁছে গিয়েছিল ১,৮০,০০০ টাকায়। তাতে অনেকের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়—এভাবে বাড়তে থাকলে হয়তো আর সোনা কেনাই সম্ভব হবে না! কিন্তু হঠাৎই দাম নেমে আসে ১,৪০,০০০ টাকায়। যদিও ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির পর আবারও সোনার দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন উঠছে—২০২৬ সালে কি সোনার দাম আরও বাড়বে? নাকি বড়সড় পতনের সম্ভাবনা রয়েছে? বিশেষজ্ঞরা নানা মত দিচ্ছেন, কিন্তু বাবা ভাঙার ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও কৌতূহল।
advertisement
বাবা ভাঙার নাম আলাদা করে উল্লেখ করার প্রয়োজন পড়ে না—তিনি বিশ্বজুড়েই অত্যন্ত পরিচিত। বহু দশক আগে তাঁর মৃত্যু হলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে করা তাঁর বহু ভবিষ্যদ্বাণী নাকি বাস্তবে মিলে গেছে বলে অনেকে দাবি করেন। তাঁর অনুসারীদের দৃঢ় বিশ্বাস, অতীতে ৯/১১ হামলা কিংবা ব্রেক্সিটের মতো ঘটনাও তিনি আগেভাগেই ইঙ্গিত করেছিলেন। এই কারণেই আসন্ন অর্থনৈতিক পরিবর্তন এবং ২০২৬ সালে সোনার দামের সম্ভাব্য ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে তাঁর মন্তব্য এখন নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে এবং মানুষের কৌতূহল বাড়াচ্ছে।
advertisement
বাবা ভাঙার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে সোনার দাম রেকর্ড স্তরে পৌঁছাতে পারে। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এক ধরনের ‘সোনার হুড়োহুড়ি’ শুরু হতে পারে। এর অর্থ হলো, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন বা সম্ভাব্য সংকটের জেরে মুদ্রার অবমূল্যায়নের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। আর সেই পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মানুষ ঝুঁকতে পারে সোনার দিকে, যার ফলে চাহিদা ও দাম—দুটোই দ্রুত বাড়তে পারে।
advertisement
ভাঙার অনুমান অনুযায়ী, আগামী সময়ে সোনা, রূপা ও তামার মতো ধাতুর চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়তে পারে। বাড়তে থাকা শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োজন এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ এগুলোকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নিতে পারেন—এমনটাই ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে কিছু বিশ্লেষকের মত, যদি এখন সোনা কেনা হয় এবং ২০২৬ পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়, তাহলে বড় মুনাফার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বাজারের গতিপ্রকৃতি নানা বৈশ্বিক কারণের ওপর নির্ভরশীল—তাই বিনিয়োগের আগে সতর্কভাবে বিবেচনা করা জরুরি।
advertisement
বাবা ভাঙার এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলো শেয়ারবাজারের ওঠানামা দেখছেন এমন বিনিয়োগকারীদের নতুন করে ভাবাচ্ছে। বাজার পড়ে গেলে সোনাকেই অনেকেই একমাত্র নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে দেখেন। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—বাজারে বড় পতন এলে সেই সময় সোনা কেনা (ডিপে কেনা) একটি কার্যকর কৌশল হতে পারে। তবে অন্ধবিশ্বাসে ভেসে যাওয়া উচিত নয়। নিজের আর্থিক সামর্থ্য, ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। ভাঙা যেমন ইঙ্গিত করেছিলেন, সোনাকে ঘিরে সত্যিই এক ধরনের ‘হুড়োহুড়ি’ শুরু হয়েছে। যদিও তিনি নির্দিষ্ট করে সম্ভাব্য লাভের পরিমাণ বলেননি, তবুও বর্তমান পরিস্থিতি অনেকের কাছেই ইতিবাচক বলে মনে হচ্ছে।
advertisement
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সোনার দাম প্রতি আউন্সে ২ লাখ থেকে ২.১ লাখ টাকার মধ্যে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, বাবা ভাঙা এমন এক সতর্কবার্তার কথাও উল্লেখ করেছিলেন যা আর্থিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইউরোপে চেরনোবিলের মতো আরেকটি ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এমন কিছু ঘটে, তবে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজার এবং সূচকগুলির বড়সড় ধস নামতে পারে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের চরম পরিস্থিতিতে কাগুজে মুদ্রার পরিবর্তে সোনা একটি বাস্তব ও নিরাপদ সম্পদ হিসেবে গুরুত্ব পায়। তাই অনিশ্চয়তার সময়ে বিনিয়োগকারীরা প্রায়শই সোনার দিকেই ঝুঁকে পড়েন।








