খড়গপুর আইআইটির ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং কেশিয়াড়ি ব্লক কৃষিকান্তি ফার্মার্স প্রডিউসার কোম্পানির যৌথ সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় হাতেকলমে বিভিন্ন ধরনের জ্যাম, জেলি ও স্কোয়াশ তৈরির কৌশল শেখানো হয়। শুধু ফল নয়, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবজি ও মাশরুম দিয়েও কীভাবে আচার ও সংরক্ষিত খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা যায়, তার বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষকরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও প্যাকেজিংয়ের সহজ উপায়ও শেখান।
advertisement
এই শিবিরের মূল লক্ষ্য ছিল, এলাকার মহিলাদের আয়ের নতুন পথ দেখানো। আম, লেবু, পেঁপে কিংবা বিভিন্ন সবজি থেকে উন্নতমানের খাদ্যপণ্য তৈরি করার পাশাপাশি কীভাবে অতিরিক্ত উৎপাদিত আনাজ শুকিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় সেটাও শেখানো হয়। ফলে মৌসুমি ফল ও সবজি আর নষ্ট হবে না, বরং তা আয়ের উৎসে পরিণত হবে।
এই প্রশিক্ষণে প্রায় কুড়িরও বেশি তফশিলি জাতি ও আদিবাসী মহিলা অংশ নেন। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এই গ্রামে এমন উদ্যোগকে ঘিরে দেখা যায় উৎসাহের ছবি। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়, যা ভবিষ্যতে ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উদ্যোক্তাদের মতে, বাড়িতে বসেই এই ধরনের খাদ্যসামগ্রী তৈরি করে স্থানীয় বাজারে বা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে বিক্রি করলে মহিলারা সহজেই স্বাবলম্বী হতে পারবেন। আইআইটির এই উদ্যোগ শুধু প্রযুক্তিগত সহায়তাই নয়, গ্রামের মহিলাদের আত্মবিশ্বাসও জুগিয়েছে। জঙ্গলমহলের মাটিতে এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে স্বনির্ভরতার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল।





