সমস্যা ঠিক কোথায়, কৃষকদের দাবি এই বছর ঠান্ডার কারণে গাছে একেবারেই ফলন হয়নি। অথচ গত বছরই এই সময়ে গাছে প্রচুর ফলন ছিল। কিন্তু বাজারে একদম দাম ছিল না। এবছর তার উল্টো জিনিস হয়েছে। দাম রয়েছে কিন্তু ফলন কম।
গত বছর এই সময় বাজারে উচ্ছে বিক্রি হয়েছে মাত্র চার টাকা কেজি দরে। এই কারণে গত বছর কৃষকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। রাস্তার উপরে উচ্ছে ঢেলে দিয়ে সেই বিক্ষোভ দেখিয়েছিল তারা। তবে এবছর পরিস্থিতি বদলেছে পাইকারি বাজারে উচ্ছের দাম রয়েছে প্রায় ১০০ টাকা কেজি।
advertisement
২০১৩ সালে এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই বছর ঠান্ডা বেশি ছিল। সেজন্য ফলন খুব কম হয়। এক দশক পর ফের সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সময়ে প্রতি হাটে প্রায় তিন ঝুড়ি করে উচ্ছে নিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সেখানে মাত্র এক ঝুড়ি করে উচ্ছে যাচ্ছে।
এ নিয়ে বিধানচন্দ্র রায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ও অধ্যাপক ড: হীরক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সাধারণত প্রগতি, বিপাশা-২, পাখি, মেঘনা ও ময়নাবুড়ি প্রজাতির উচ্ছেচাষ হয়।
আরও পড়ুন: সোনা এখন অগ্নিমূল্য ! জেনে নিন এই বাজারেও সস্তায় কীভাবে সোনা কিনবেন ?
এখানে আমন ধান কাটা হয়ে গেলে শীতের শুরুতে উচ্ছের বীজ রোপণ করা হয়। কিন্তু এবছর তাপমাত্রা বেশ কম থাকায় গাছের ফলন খুব কম হয়েছে। কারণ গাছের অঙ্কুরোদগমের সময় তাপমাত্রা লাগে ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। গাছের দৈহিক বৃদ্ধির জন্য তাপমাত্রা লাগে ২৪ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত। কিন্তু তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নীচে নেমে গেলে উচ্ছেচাষে প্রচুর ক্ষতি হয়। ফলে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
নবাব মল্লিক





