বাজারে দ্রুত বেড়েছে চাহিদা:
সতীশ দুবে জানিয়েছেন যে, স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তে থাকা সচেতনতার কারণে বাজারে স্টিভিয়া-র চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তিনি এইবার ছোট পরিসরে প্রায় ১ বিঘা জমিতে এর চাষ করেছেন, যেখান থেকে প্রায় ৩০ কেজি শুকনো পাতা হয়েছে। তিনি বলেছেন, স্টিভিয়া-র পাতা শুকিয়ে তিনি ১০০০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি করছেন।
advertisement
তাঁর মতে, স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ আর সুগারের রোগীরা এটা বিশেষভাবে কিনছেন। ভাল সাড়া পাওয়ার পরে তিনি আগামী সিজনে বড় পরিসরে এর চাষ করার পরিকল্পনা করছেন। অন্যদিকে, স্থানীয় বাজারেও মানুষকে এটা দেওয়া হচ্ছে।
একবার লাগাও, পাঁচ বছর পর্যন্ত উৎপাদন পাও:
স্টিভিয়ার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য এটা যে, একবার লাগানোর পরে প্রায় পাঁচ বছর পর্যন্ত উৎপাদন নেওয়া যায়। প্রতি তিন মাসে এটা কাটা হয়, যার জন্য বছরে অনেকবার আয় করার সুযোগ মেলে। কম খরচে বেশি লাভের জন্য এই ফসল কৃষকদের জন্য অনেক লাভজনক প্রমাণ হচ্ছে। এই কারণেই এখন এলাকার অন্য কৃষকরাও এর দিকে আকৃষ্ট হচ্ছেন।
অনেক জায়গায় হয় ব্যবহার:
তিনি বলেছেন যে প্রসেসিংয়ের প্রক্রিয়াও সহজ। কাটার পর Stevia-এর পাতাগুলো ভালভাবে শুকানো হয়, তারপর তার পাউডার তৈরি করে প্যাক করা হয়। এই পাউডার চা, কফি আর বেকিং-এ চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর পাশাপাশি সুগার ফ্রি ওষুধ আর প্রডাক্টের নির্মাণেও এর ব্যবহার বাড়ছে।
বাজার নিয়ে চিন্তা নেই, সরাসরি বিক্রি:
সতীশ দুবে জানিয়েছেন যে অনেক বড় কোম্পানি কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে স্টিভিয়া কিনছে, যার ফলে বাজার নিয়ে চিন্তা কমে যাচ্ছে এবং উপযুক্ত দাম পাওয়া যাচ্ছে। আবার কম জমিতে চাষ করার কারণে লোকাল মার্কেটেও সরাসরি বিক্রি করা হচ্ছে। পালামুতে স্টিভিয়া চাষ এখন কৃষকদের জন্য আয়ের নতুন উৎস হয়ে উঠছে এবং আগামী দিনে এটা এই এলাকার কৃষি অর্থনীতিকে নতুন দিশা দিতে পারে। তিনি বলেছেন, এটা আপনি সরাসরিও কিনতে পারেন।
