খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় থানার পুলিশ। তারা দরজা ভেঙে দেখেন অধ্যাপক সিলিংফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় মানবাজার গ্রামীণ হাসপাতালে৷ সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এবং দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়৷জানা গিয়েছে, মৃতের বাড়ি বাঁকুড়ার হিড়বাঁধ থানার চাকাডোবা গ্রামে। কর্মসূত্রে মধুপুরে থাকতেন তিনি। সেখানেই অধ্যাপকের মৃত্যু হয়৷ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে এই ঘটনা আত্মহত্যা। তবে মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে৷
advertisement
তদন্তে কি উঠে আসে সেটাই এখন দেখার,খুন হলে এই ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা জানার চেষ্টা করা হবে। কেনই বা খুন করা হল তাও জানার চেষ্টা করবে পুলিশ৷ আর যদি আত্মহত্যা হয়৷ তাহলে কেন আত্মহত্যা করলেন তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে৷ ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে পুলিশ৷ এর আগে বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের গোঁসাইগ্ৰামের এক বাসিন্দার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়৷ প্রেমিকার দাদুর বাড়ির সামনে থেকে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ মৃতের নাম কার্তিক দলুই, বয়স ২২।
